স্মার্টফোনের চালান চতুর্থ কোয়ার্টারের থেকে প্রথম কোয়ার্টারে কমে যায়

আইসাপ্লি এর তথ্য অনুসারে, আগের কোয়ার্টারের তুলনায় প্রথম কোয়ার্টারে স্মার্টফোনের চালান কমে গেছে। বিগত দুই বছরে এমন পতন হয়নি।
আইসাপ্লি বলেছে, ফোন প্রস্তুতকারী কোম্পানি গুলো প্রথম কোয়ার্টারে ৯৭.২ মিলিয়ন ফোন চালান করে যা চতুর্থ কোয়ার্টারের ৯৮.৭ মিলিয়ন চালানের তুলনায় ১.৫% কম। যদিও অনেক ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য চতুর্থ কোয়ার্টারে হলিডে সেলসকে অনুসরণ করে বছরের শুরুতে অতিমন্দার সম্মুখীন হয়, স্মার্টফোন ২০০৯ এর শুরু থেকে এমন পতনের মুখোমুখি হয়নি।
এ চালানের পতন হয় নোকিয়া এবং মটোরলার মাধ্যমে। নোকিয়ার চালান পর্যায়ক্রমে ১৪.৫% কমে যায়, এবং মটোরলার চালান ১৬.৩% কমে। আইসাপ্লি এর বিশ্লেষক, টিনা টেং বলেন, মাইক্রোসফট এর সাথে নোকিয়ার সম্প্রতি ঘোষিত চুক্তি এর চালানের পতন ঘটায়।
তিনি একটি রিপোর্টের সারাংশে লেখেন, “এ চুক্তি ঘোষণার মধ্য দিয়ে নোকিয়া তাদের সিম্বিয়ান এবং মিগো অপারেটিং সিস্টেম ভিক্তিক স্মার্টফোন কেনা থেকে ক্রেতাদের প্রণোদনা দূর করছে। উইন্ডোজ ফোন ৭ ভিক্তিক কোনো ফোন নোকিয়া প্রথম বছরের আগে বের করতে পারবে না”।
ভেরিজন নেটওয়ার্কে আইফোন ছাড়ার পর থেকে বাজারে মটোরলা, স্যামসাং এবং এইচটিসির বিক্রয় কমে যায়।
মটোরলা এবং নোকিয়ার পতন সত্যেও টেং বলেন যে দুর্বল ক্রেতার চাহিদা নয় বরং হ্রাসকৃত সর্বমোট চালান এর উৎপাদন এবং সরবরাহের সমন্বয়তাই এর জন্য দায়ী। আইসাপ্লি আশা করে যে ২০১১ সালে বিশ্বব্যপি স্মার্টফোনের বিক্রয় ৬০% বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরো বলেন, বাজারে এমন পতন সত্যেও অ্যাপলের চালান বৃদ্ধি পায়। আইসাপ্লি বলেছে যে, এর ১৪.৯% বৃদ্ধি একে নোকিয়া থেকে ৫.৭% পিছনে রেখেছে। ২০১০ সালের চতুর্থ কোয়ার্টারে এর বৃদ্ধি ছিল ১২.২%।
চতুর্থ কোয়ার্টারের তুলনায় এ বছরের প্রথম কোয়ার্টারে রিম এর চালান ৪.২% বেশি ছিল। কিন্তু তারা এখনোও অ্যাপলের কাছে তাদের অবস্থান হারাচ্ছে। চালানের বিচারে রিম অ্যাপলের থেকে প্রথম কোয়ার্টারে ৪% পয়েন্ট পিছনে ছিল।

About কমপিঊটার পাগল

একটি উত্তর দিন