জাপান এয়ারলাইন্সের সিইও পাবলিক বাসে চড়েন এবং সস্তা কোট পরেন

আন্তর্জাতিক বা বিদেশী কোম্পানি গুলোতে চাকরী করার স্বপ্ন আমাদের অনেকের থাকে এর উচ্চ বেতন এবং অন্যান্য আকর্ষণীয় সুযোগ সুবিধার কারণে। তবে জাপান এয়ারলাইন্স-এর সিইও এ মুহূর্তে যেইসব সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন বা নিচ্ছেন তা দেখলে বোধ হয় এ শখ অনেকেরই মিটে যাবে। দুই বছর আগে জাপান এয়ারলাইন্স-এর অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যায় এবং কোম্পানিটি প্রায় দেউলিয়া হবার মত উপক্রম হয়। তখন জাপান এয়ারলাইন্স-এর সিইও কোম্পানির খরচ কমানোর জন্য নানা রকম কাটছাঁট-এর ঘোষণা দেন। নারুকা নিশিমাতসু হচ্ছেন জাপান এয়ারলাইন্সের সিইও এবং প্রেসিডেন্ট। তিনি অনেক ধরণের পরিবর্তন নিয়ে আসেন এবং তিনি তার নিজের সুযোগ সুবিধা একেবারেই কমিয়ে ফেলেন। তাই তিনি এখন পাবলিক বাস বা ট্রেনে চড়ে চলাফেরা করেন এবং নিজে কোন দামী সুট পরেন না। তাছাড়া নিজের জন্য দামী রেস্টুরেন্টের খাবার না ব্যবস্থা করে কোম্পানির ক্যাফেটেরিয়া থেকে খাবার খাচ্ছেন।
জাপান এয়ারলাইন্স পৃথিবীতে দশম বৃহত্তম এয়ারলাইন্স কিন্তু এ সিইও বছরে মাত্র নব্বই হাজার ডলার নিচ্ছেন। তার জায়গায় অন্য কেউ হলে সহজেই কয়েক মিলিয়ন ডলার বেতন পেতেন হয়তো।
এর ফলে জাপান এয়ারলাইন্সের অনেক কর্মকর্তা এবং কর্মচারী এখন বেশ খুশী কেননা তাদের প্রেসিডেন্ট তাদের মতোই জীবন-যাপন করেন অন্তত বাহ্যিকভাবে। এ উদাহরণ বাংলাদেশ ও তৃতীয় বিশ্বের অনেক অনেক কোম্পানির বড় বড় বসদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।

About কমপিঊটার পাগল

একটি উত্তর দিন