৪০ গিগাবাইট ড্রাইভকে কেন ৩৮.২৮ গিগাবাইট ড্রাইভ দেখায়?

বাজার থেকে আমরা বিভিন্ন ক্যাপাসিটির ড্রাইভ কিনে থাকি। ৮০, ১৬০, ২৫০, ৫০০ গি.বা. ইত্যাদি। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করার পর আমরা লক্ষ্য করি যে, ড্রাইভের ক্যাপাসিটি কম। কারণ?
আসলেই কি কম? না। ক্যাপাসিটি ঠিকই আছে। পার্থক্য শুধু ক্যালকুলেশন ভিন্নতা।
হার্ডড্রাইভ ম্যানুফ্যাকচারার ড্রাইভ ম্যানুফাকচারিং এর ক্ষেত্রে ১০০০ মেগাবাইটকে ১ গিগাবাইট হিসাব/ক্যালকুলেশন করেন। আর আমরা/অপারেটিং সিস্টেম হিসাব করে ১০২৪ মেগাবাইটকে ১ গিগাবাইট হিসেবে। এই কারণে পার্থক্যটা দেখা দেয়। এক্সাম্পল দিয়ে বলি।
একটি ম্যাক্সটর ৪০ গিগাবাইট ড্রাইভ এ সেক্টর রয়েছে ৮০২৯৩২৪৮ (ব্র্যান্ড অনুযায়ী কিছুটা কম/বেশি হয়)।
অর্থাৎ এই ড্রাইভ এর ক্যাপাসিটি +৩৯২০৫ মেগাবাইট = ৩৮.২৮ গিগাবাইট (অপারেটিং সিস্টেম এর হিসাবে)।
আবার এই ড্রাইভ এর ক্যাপাসিটি +৪০১৪৬ মেগাবাইট = ৪০.১৫ গিগাবাইট (ড্রাইভ ম্যানুফাকচারারদের হিসেবে)।

ড্রাইভ কেনার সময় লক্ষ্য করুন ড্রাইভের গায়ে LBA লিখা আছে। সেখানে সেক্টর এর সংখ্যা দেয়া আছে। আপনি এবার একে ২০৪৮ দিয়ে ভাগ করুন, তারপর ভাগ করুন ১০২৪ দিয়ে। এবার ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে খেয়াল করুন আপনার হিসাবের সাথে ড্রাইভের ক্যাপাসিটি এক্সাক্ট পাবেন।

২০৪৮ টি সেক্টরএ ১ মেগাবাইট হয়। প্রতিটি সেক্টর এ ৫১২ বাইট ডাটা সংরক্ষন করা যায়।
যদি প্রশ্ন আসে মনে, একটি ড্রাইভে কতগুলো সেক্টর ব্যাড হতে পারে? সহজভাবেই উত্তর পেয়ে যাবেন।
অর্থাৎ ১ মেগাবাইটে সর্ব্বোচ্চ ২০৪৮টি সেক্টর ব্যাড হতে পারে। আর একটি ড্রাইভে কতগুলো হতে পারে সর্ব্বোচ্চ সংখ্যা এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।

About শাহী

একটি উত্তর দিন