ই-বর্জের ওপর ই-প্রকাশণা ও ই-সিদ্ধান্তে আসা দরকার

তা প্রায় বছরখানে আগের কথা। বিসিএস কমপিউটার সমিতির আয়োজনে একটি প্রেস কনফারেন্সে যোগ দিয়েছিলাম। সেদিনের বিষয় ছিল ই-বর্জের বিভিন্ন দিকসমূহ। এধরনের আয়োজনের কারণ ছিল সরকারের একটি সিদ্ধান্তে ওপর ভিত্তি করে। খবরটি ছিল অনেকটা এ রকম, বাংলাদেশ বিদেশ (উন্নত) থেকে প্রচুর পুরনো কমপিউটার আমদানী করবে যেগুলে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে ব্যবহার করা যেতে পারে। এবিষয়ের ওপরই শুরু হয় বিসিএস-এর গুরু গম্ভীর আলোচলা যাতে সরকার এধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া থেকে বিরত থাকে। বিসিএস তাদের প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে সরকারকে অবহিত করার চেষ্টা করল যে উন্নত দেশেগুলো তাদের দেশের ই-বর্জগুলোর ডাস্টবিন হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে চায়। সুতরা সরকারে এ ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া দরকার।

আজ পত্রিকার পড়ার সময় দেখলাম যে প্রথম আলো, ইত্তেফাক এর ওপর একটি করে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। একথা সত্য যে আমাদের দেশে প্রতিনিয়তই কমপিউটার পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে। সুতরাং এমূহুর্তে কমপিউটারের পুরনো যন্ত্রাশের দিকে খেয়াল করলে সবার মনে হয়তো প্রশ্ন জাগবে ভবিষ্যতে এগুলোকে কোথায় এবং কিভাবে রাখা হবে? বা আমাদের দেশের পরিবেশের জন্য এটা কতটা হুমকিসরূপ হবে?

About সমস্যা কী