আবার এল যে জুলাই:#(

জুলাই মাস এলে কেমন নস্টালজিক হয়ে যাই। শুধু আমি নই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ০৩ ব্যাচ পর্যন্ত যে কোন ছাত্র ছাত্রীর জীবনে জুলাই মাসটা একটা মোটা দাগ কেটে আছে। ব্লগে অনেকেই আছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের, তারা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন কোন ঘটনার কথা বলতে যাচ্ছি।
২০০৪ সালের ৪ঠা জুলাই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ঘটে সবচেয়ে ঘৃন্যতম ঘটনা। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কিছু কুচক্রি শিক্ষক-কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন মেধাবী ছাত্রের উপর তাদের ষড়যন্ত্রের শেষ গুটি প্রয়োগ করে। ভয়াবহতার দিক থেকে জগন্নাথ হল ট্রাজেডির পর বাংরাদেশের শিক্ষাঙ্গনে ২য় ঘটনা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছাত্রদের কন্ঠ রুদ্ধ করতে সেদিন ঐ কুচক্রি মহল উপাচার্যের বাসভবনে । ভাংচুরের এক মিথ্যা নাটক মঞ্চস্থ করে ১৫ জন ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহি:স্কার করে। কিন্তু ঐ মিথ্যা ঘটনার সাথে ঐ ছাত্রদের কোন সম্পর্ক ছিলনা এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই জানত।
এর পরবর্তী ঘটনা আর ও ভয়াবহ। যার কিছুটা আপনারা অপরাজিতার “[link|http://www.somewhereinblog.net/blog/oparajita/28945781|আমার বন্ধু] ” নামক পোস্ট থেকে জানেন।
(পরবর্তী ঘটনা – আগামী পর্বে)

About দূর্ভাষী

২ comments

  1. ১৫ জন নিরীহ ছাত্রকে বহিস্কার!! আমার তো ইচ্ছা করতাছে খুলনায় গিয়া আন্দোলন করি। না ভাই, এর প্রতিবাদ হওয়া জরুরি। দোষীদের শান্তি নিয়া আমার মমাথাব্যাথা নাই। কিন্তু নিরীহরা ক্যানো শাস্তি পাবে? আমি আমার তরফে এর জন্যে ঘৃণা প্রকাশ করলাম।

  2. ১৫ জন নিরীহ ছাত্রকে বহিস্কার!! আমার তো ইচ্ছা করতাছে খুলনায় গিয়া আন্দোলন করি। না ভাই, এর প্রতিবাদ হওয়া জরুরি। দোষীদের শান্তি নিয়া আমার মমাথাব্যাথা নাই। কিন্তু নিরীহরা ক্যানো শাস্তি পাবে? আমি আমার তরফে এর জন্যে ঘৃণা প্রকাশ করলাম।

  3. এটা বেশ আগের ঘটনা, আন্দোলন সংগ্রাম ানেক হইছে, সবাই হাইকোর্টের রায়ে ছাত্রত্ব ফেরত ও পাইছে এবং এখন সবাই ভালোই আছে।

  4. এটা বেশ আগের ঘটনা, আন্দোলন সংগ্রাম ানেক হইছে, সবাই হাইকোর্টের রায়ে ছাত্রত্ব ফেরত ও পাইছে এবং এখন সবাই ভালোই আছে।

একটি উত্তর দিন