৪২ বছর পার হলো ই-মেইলের

৪২ বছর পার হলো ই-মেইলের

একসময়ের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম চিঠি এখন অতীত। রোবোটিক জীবনে এখন আর কেউ চিঠি লেখে না, দেখা মেলে না ডাকপিয়নের। আবেগ, বেদনা, সুখ-দুঃখের কথা-সবই এখন ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইলে আদান-প্রদান করা হয়। হালের কম্পিউটার-ইন্টারনেটের সৌজন্যে এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ই-মেইল। চলতি মাসে এ প্রযুক্তি ৪২ বছরে পা দিল। সেই ১৯৭১ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার রাইমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন সর্বপ্রথম ই-মেইল আবিষ্কার করেন।

এসঅ্যান্ডডিএমএসজি নামে একটি প্রোগ্রাম ডেভেলপের সময় টমলিনসন ই-মেইল লেখা ও পাঠানোর পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ই-মেইল দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ই-মেইল হলো ডিজিটাল বার্তা, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। আধুনিক ই-মেইল ও তখনকার মেইলের অনেক পার্থক্য রয়েছে।

প্রথম দিকের ই-মেইল ব্যবস্থায় প্রেরক এবং প্রাপক দুজনকেই অনলাইনে থাকতে হতো। তবে এখন ই-মেইলে এ সমস্যা নেই। এখন ই-মেইল সার্ভারগুলো মেইল গ্রহণ ও সংরক্ষণ করে প্রাপককে পাঠায়। তিনটি অংশ-বার্তার খাম, বার্তার হেডার বা মূল এবং বার্তা নিয়ে ই-মেইল তৈরি হয়। হেডার মেইল নিয়ন্ত্রণের তথ্য বহন করে। এখানে প্রেরকের ই-মেইল ঠিকানাসহ এক বা একাধিক প্রাপকের ঠিকানা থাকে। এছাড়া মাল্টিমিডিয়াসহ বিভিন্ন অ্যাটাচমেন্ট পাঠানোর সুযোগ রয়েছে ই-মেইলে।

ই-মেইল মার্কেটিংয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গেছে, মাইক্রোসফট হটমেইল, গুগলের জিমেইল ও ইয়াহু মেইলের এ মুহুর্তে ১ বিলিয়নের বেশি সংক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, গুগলের ব্লগ পোস্টে গত জুন পর্যন্ত ৪২৫ মিলিয়ন সক্রিয় ব্যবহারকারী ছিল। গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত হটমেইলে ছিল ৩৫০ এবং ইয়াহুতে ৩১০ মিলিয়ন সক্রিয় ব্যবহারকারী।


About nipa Rahman

একটি উত্তর দিন