১৭ কোটি টাকা চুরি বিদেশি কলে প্রতিদিন চুরি

১৭ কোটি টাকা চুরি বিদেশি কলে প্রতিদিন চুরি

গত ১ আগস্টের ঘটনা। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভায় এর সভাপতি হাসানুল হক ইনু দেশে বৈধভাবে আসা বৈদেশিক টেলিফোন কল ব্যাপকভাবে হ্রাস পাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘অনেকে আমাকে প্রশ্ন করেন, আমার কোনো আত্মীয়স্বজন ভিওআইপির অবৈধ কারবারে যুক্ত কি না। তা থেকে আমি ভাগ পাই কি না। এসব প্রশ্নে আমি লজ্জা পাই। কেন এই অবৈধ কারবার বন্ধ হচ্ছে না? বিটিসিএলের বিরুদ্ধে এ নিয়ে অভিযোগ থাকলে কেন র‌্যাব দিয়ে সেখানে অভিযান চালানো হচ্ছে না? বাধাটা কোথায়?’ এ প্রশ্নে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদ বাধার বিষয়টি জানাতে গেলে ইনু ‘এখন থাক’ বলে আলোচনার প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলেন বলে জানা গেছে। খবর কালের কণ্ঠ।

তার আগে গত ১৯ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে ডমেস্টিক নেটওয়ার্ক কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভায় এ বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগে নিরুত্তর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিফোন কম্পানি বিটিসিএলের এমডি আজিজুল ইসলাম।

সভা দুটিতে উপস্থিত একাধিক সূত্রে এসব ঘটনার বিবরণ জানা যায়। এ ছাড়া টেলিফোন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যেই এখন অন্যতম আলোচনার বিষয় আন্তর্জাতিক কল হ্রাস পাওয়ার বিষয়টি। বিটিটিবির (বর্তমানে বিটিসিএল) সাবেক সদস্য এবং ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে সার্ভিস প্রভাইডার বাংলাট্রাক ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের পরিচালক ফজলুল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য যে ২৪ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন, তা বৈদেশিক কলের চোরা কারবার বন্ধ করতে পারলে পাঁচ বছরেই জোগাড় হয়ে যাবে। আমাদের ধারণা, দেশে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি মিনিট বৈদেশিক কল আসছে। এর মধ্যে সাত কোটি মিনিট কল আসছে চোরা পথে। ফলে প্রতিদিন প্রায় ২০ কোটি টাকার বিদেশি কল চুরি হয়ে যাচ্ছে। এই চোরাকারবার বন্ধ করা গেলে এ খাত থেকে সরকারের প্রতিদিন সাড়ে ১২ কোটি টাকার ওপরে রাজস্ব আয় হতে পারে এবং এই আয়ের সবটাই আসবে ডলারে। কিন্তু পরিস্থিতি ক্রমেই প্রতিকূল হচ্ছে। চারটি আইজিডাব্লিউর (ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে) সঙ্গে আরো যোগ হচ্ছে ২৩টি। এ ছাড়া দেশ স্বাধীন হওয়ার পর লবণের লাইসেন্স দেওয়ার মতো ঢালাওভাবে আইজিডাব্লিউসহ আইআইজি ও আইসিএক্স দেওয়া হয়েছে। আসছে কয়েক হাজার ভিওআইপি সার্ভিস প্রভাইডার লাইসেন্স। যেখানে চারটি গেটওয়ে সামাল দিতে পারছে না নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, সেখানে এতগুলোকে কিভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা সম্ভব হবে- এ প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের।

প্রসঙ্গত, বিটিআরসিও ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে। আইজিডাব্লিউ, আইসিএক্স, আইআইজি লাইসেন্স পেতে গত বছর ৮ ডিসেম্বর ১৫৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। এর মধ্যে ৮৫টি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিতে গত ৯ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ দেয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। ঢালাওভাবে এ লাইসেন্স দেওয়ায় টেলিকম খাত ভারসাম্য হারাবে- এই আশঙ্কা প্রকাশ করে বিটিআরসি ওই দিনই বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়।
এরপর দেশের ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারদের সংগঠন আইএসপিএবি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনেও টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন যে, টেলিকম খাতে তিন ধরনের অবকাঠামোর এত বেশি লাইসেন্স দিলে অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হবে এবং অবৈধ পথে যাওয়া ছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর উপায় থাকবে না। কিন্তু তার পরও মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসেনি।

এদিকে গত অক্টোবরে এসব লাইসেন্সের জন্য আবেদনপত্র আহ্বান করার পর থেকে বৈধ পথে আসা আন্তর্জাতিক কলের ক্ষেত্রে বিপর্যয় শুরু হয় বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা। তাঁরা বলছেন, ভিওআইপির (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) অবৈধ কারবারিরা যে রকম বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, তারই সূচক হচ্ছে এভাবে আন্তর্জাতিক কল কমে যাওয়া। বৈধ পথে কল কমছে মানেই ভিওআইপির অবৈধ পথে কল বেড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে ভিওআইপির অবৈধ কারবার বন্ধের দায়িত্বে নিয়োজিত বিটিআরসির কর্মকর্তারা এখন হতাশ। প্রতিদিন ব্যাপকভাবে আন্তর্জাতিক কল এবং এ খাত থেকে সরকারের রাজস্ব কমে যাওয়ার তথ্য জমছে তাঁদের টেবিলে। একই সঙ্গে এসব কর্মকর্তাকে বাড়তি ২৩টি আইজিডাব্লিউ, ৩৪টি আইআইজি এবং ২৩টি আইসিএক্স অপারেটর চাহিদামতো সব ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না তা তদারকি করতে হচ্ছে। জানা যায়, ঈদের আগেই চার-পাঁচটি নতুন আইজিডাব্লিউ চালু হবে। এরই মধ্যে এর পরীক্ষামূলক কাজ শুরু হয়ে গেছে।

বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তার মন্তব্য, ‘গত অক্টোবরেও দেশের চারটি ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ের (আইজিডাব্লিউ) মাধ্যমে প্রতিদিন সাড়ে চার কোটি মিনিট কল এসেছিল। সেখানে এখন আসছে প্রতিদিন তিন কোটি মিনিটেরও কম।’ এ কর্মকর্তার ধারণা, প্রতি ১০টি আন্তর্জাতিক কলের মধ্যে আটটিই আসছে চোরাপথে। এই পরিস্থিতির কারণে প্রতিদিন কী পরিমাণ কল বাইরে থেকে দেশে আসছে সেই তথ্য পড়ে দেখার আগ্রহও তিনি হারিয়ে ফেলেছেন বলে জানান।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার চারটি আইজিডাব্লিউর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল এসেছে মাত্র দুই কোটি ৮০ লাখ মিনিট। এর আগে গত ৩০ জুলাই সর্বনিম্ন আড়াই কোটি মিনিটের কাছাকাছি আন্তর্জাতিক কল আসে।

এই বিপর্যয়ের তথ্য আরো স্পষ্ট হয় দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের চিঠিতে। গ্রামীণফোন বিটিআরসিকে কয়েক মাস থেকেই জানিয়ে আসছে তাদের নেটওয়ার্কে আসা আন্তর্জাতিক কল উদ্বেগজনক হারে কমে যাচ্ছে।

এ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু গত মঙ্গলবার বলেন, ‘বৈদেশিক কলের পরিমাণ কমে যাওয়ার বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়াররাও টাকা পরিশোধে নানা রকম অসুবিধা সৃষ্টি করছে। এ ব্যাপারে প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদ বলেন, ‘ভিওআইপির অবৈধ কারবার বন্ধ করার জন্য আবারও আমরা কঠিন পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছি। প্রয়োজনে অভিযুক্ত অপারেটরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হলেও ছাড় পাওয়া যাবে না।’

আইজিডাব্লিউগুলো থেকে সংগৃহীত বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালের মার্চে ভিওআইপি কারবারে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দেশের পাঁচটি ল্যান্ডফোন অপারেটরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বৈদেশিক কলের পরিমাণ বেড়ে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার কোটি মিনিটে স্থির ছিল। ২০১০ সালের ১ এপ্রিল চারটি ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ের (আইজিডাব্লিউ) মাধ্যমে বৈদেশিক টেলিফোন কল আসার পরিমাণ ছিল চার কোটি ৪২ লাখ ৬৮ হাজার ৮২৯ মিনিট। পরের দিন ২ এপ্রিল এই কলের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচ কোটি ৪৬ লাখ ৩৬ হাজার ২৩৭ মিনিট। ৩ এপ্রিল কলের পরিমাণ ছিল চার কোটি ৬০ লাখ ৩৭ হাজার ২৩ মিনিট। ৪ এপ্রিল ছিল চার কোটি ৮৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৪ মিনিট। পরের দিনগুলোতেও প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে চার কোটি মিনিট কল আসে। ৯ এপ্রিল কলের পরিমাণ দাঁড়ায় পাঁচ কোটি ৩৪ লাখ ৪২ হাজার ১২৮ মিনিট। ২০১০ সালের মার্চে ওই পদক্ষেপ গ্রহণের আগে কলের পরিমাণ ছিল প্রতিদিন গড়ে প্রায় তিন কোটি মিনিট।
ভিওআইপি নিয়ন্ত্রণে এক যুগ ধরে যা হচ্ছে : শুরুটা ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আমলেই। রাজনৈতিক ছাতার নিচে সে সময় ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ করে ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল বা ভিওআইপির চোরা বাণিজ্যের যাত্রা শুরু। স্প্রেকট্রা সলিউশন, ঢাকার চিঠি, হাইটেক- এসব প্রতিষ্ঠানের ওই কারবার সে সময় কাদের ছত্রচ্ছায়ায় পরিচালিত হচ্ছিল, সেই খবর অনেকেরই জানা। তবে এ চোরা বাণিজ্য বা ‘ভয়েস স্মাগলিং’ কুটির শিল্পে পরিণত হয় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে। বিভিন্ন ফোন-ফ্যাক্সের দোকানে প্রকাশ্যে বিক্রি হতে থাকে ভিওআইপির কলিং কার্ড।
ওই সময় বিটিটিবির নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন লে. কর্নেল নিয়াজ উর রহিম। তাঁর নেতৃত্বেই তখন ভিওআইপি বন্ধের কার্যক্রম পরিচালিত হতো। সাবেক এ সেনা কর্মকর্তা এখন একটি নতুন আইসিএক্স অপারেটরের সঙ্গে যুক্ত।

নিয়াজ উর রহিম গতকাল শুক্রবার জানান, তখন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাশালী ব্যক্তি থেকে শুরু করে বস্তির অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এই বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় নেমে পড়ে। আমি মামুনের লোক, হারিছ চৌধুরীর পার্টনার, মোরশেদ খানের বা সাইফুর রহমানের ছেলে আমার বন্ধু, কোকো, তুহিনের কাছের লোক আমরা- এ ধরনের পরিচয় ছিল ভিওআইপির কুটির শিল্প যুগের রক্ষাকবচ।

জানা যায়, ওই সময় ভিওআইপি কারবার উন্মুক্ত করে দিতে একটি নিয়ন্ত্রিত পথের অনুসন্ধানও চলতে থাকে। পরিকল্পনা হয়, বিটিটিবির ব্যবস্থাপনায় চারটি কমন প্লাটফরম স্থাপন করে তার মাধ্যমে ভিওআইপি নিয়ন্ত্রণ এবং এ থেকে রাজস্ব আয় নিশ্চিত করা হবে। আর বিটিআরসি থেকে যারা ভিওআইপি লাইসেন্স পেতে সক্ষম হবে তারাই ওই প্লাটফরম ব্যবহার করতে পারবে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে ২০০৩ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন হয়। সে সময় বিটিআরসির পক্ষে বলা হয়েছিল, ২০০৪ সালের জানুয়ারির মধ্যেই দেশে বৈধভাবে পরিচালিত হবে ভিওআইপি। কিন্তু বিটিটিবির ওই প্লাটফরম আর স্থাপন হয়নি।

বিটিআরসি ওই সময় ভিওআইপি লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করে। এর জন্য জমা পড়ে তিন ক্যাটাগরিতে ৫০টিরও বেশি আবেদন। তিন ক্যাটাগরির মধ্যে প্রথমটি ছিল মোবাইল ফোন অপারেটরদের, দ্বিতীয় ক্যাটাগরি পিএসটিএন এবং তৃতীয় ক্যাটাগরি ছিল ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার বা আইএসপিদের জন্য। কিন্তু লাইসেন্স দেওয়ার ওই প্রক্রিয়াটি শেষ পর্যন্ত দুটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের আদেশে স্থগিত হয়ে যায়।

এক-এগারোর পর দলীয় রক্ষাকবচ অকার্যকর হয়ে পড়লে ভিওআইপি কারবারের কারিগররা অনেকে বিদেশে গিয়ে এ ব্যবসার বিকল্প পথ খুঁজে নেন। কেউ কেউ সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের নতুন ছাতা হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করেন। ভিওআইপি বৈধ পথে চালু করার লক্ষ্যে ২০০৭ সালের ২০ আগস্ট ঘোষণা করা হয় আইএলডিটিএস-২০০৭ পলিসি। ওই পলিসির আওতায় টেলিযোগাযোগের আন্তর্জাতিক গেটওয়ে বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করে দিয়ে তিন স্তরবিশিষ্ট টেলিযোগাযোগ অবকাঠোমো গড়ে তোলা হয়।

বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এখন ভিওআইপি কারবার কুটির শিল্পের গণ্ডি ছাড়িয়ে মহাপ্রকল্পে ঠাঁই পেয়েছে। এই অবৈধ বাণিজ্যে সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, উপমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও তাঁদের আত্মীয়স্বজনের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার নামও আলোচনায় রয়েছে। ভিওআইপির অবৈধ কারবারিদের বিরুদ্ধে এখনো মাঝেমধ্যে র‌্যাবের অভিযান পরিচালিত হয়, তবে সব ক্ষেত্রে নয়।
নিয়াজ উর রহিম বলেন, বিটিআরসি যদি বাধাহীনভাবে কাজ করতে পারে তাহলে এখনো এই অবৈধ কারবার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

About বিদ্যুৎ বিশ্বাস

একটি উত্তর দিন