সোপা , পিপা ইন্টারনেটকে নিয়ন্ত্রণ করার ফাঁদ – আসুন আমরা না বলি।

সোপা , পিপা ইন্টারনেটকে নিয়ন্ত্রণ করার ফাঁদ – আসুন আমরা না বলি।

সোপা কি..

সোপা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সিনেটের একটি প্রস্তাবিত বিল। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে পাস হওয়ার পর আইনে পরিণত হবে অর্থাৎ এ বিলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি আইন বলে গণ্য হবে। গতবছরের ২৬ অক্টোবর সোপা বিলটি প্রথম উত্থাপিত হয়। মূলত কপিরাইট ও মেধা-স্বত্ব রক্ষা করার জন্য এ বিলটি পাসের প্রস্তাব করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য বা কপিরাইট রক্ষার জন্য আইনটি করার কথা বলা হলেও এটি আসলে পুরো ইন্টারনেটই বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণেরই একটি উদ্যোগ।

যখন বিশ্বব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়ার গণজাগরন লক্ষ্য করা হচ্ছিল, যখন ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার সাইটের মাধ্যমে বিশ্বের জায়গায় জায়গায় প্রতিবাদের আন্দোলন গড়ে ওঠে এবং সৈরাচারদের পতন হতে শুরু করে, তখন থেকেই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ আমেরিকার অনেকেই নড়ে চড়ে বসেন।

বিশেষ করে মিত্র দেশ মিসরের প্রেসিডেন্ট হোসনী মোবারকের পতনের বিষয়টি আমেরিকার জন্য ছিলো খুবই অপ্রত্যাশিত। তখন থেকেই অনেকে বুঝে উঠেছিল যে আমেরিকা খুব শিঘ্রি ইন্টারনেটের উপরে কোন না কোন ধরনের নিয়ন্ত্রন আনতে যাচ্ছে কারন সবচেয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার বেশি যে দেশে হয়, সেই আমেরিকার ঘর সামলানোর চিন্তার অনেকগুলো কারন রয়েছে। আমেরিকা খুব সুকৌশলে তাদের জনগনকে দেশটির অনেক অজনপ্রিয় বিদেশ নীতি এবং তার ফলাফল জানতে নারাজ। গতানুগতিক মিডিয়াতে এটা এতদিন খুব সম্ভব ছিলো কারন টিভি বা রেডিওর নিউজ মিডিয়াগুলোর জন্য এদের চালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রন করেই সেটা করা হতো এতদিন। কিন্তু হঠাৎ করেই সোশ্যাল মিডিয়ার ফলে আমেরিকার জনগনের কাছে তথ্য এখন অনেক বেশি অবাধ এবং এই ব্যাপারটি মোটেও নিশ্চিন্তে থাকতে দিচ্ছে না আমেরিকার সরকারী মহলকে। এ কারনে অনেক তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরাই আশংকা করছিলো যে আমেরিকা হয়তো একটি দুই লেয়ার বিশিষ্ট ইন্টারনেট চালু করবে। সেই চেষ্টা কিছুটা নেওয়াও হয়েছিলো, কিন্তু সেটি খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। দুই লেয়ার ইন্টারনেটে একটি লেয়ারে কনটেন্ট নিয়ন্ত্রন করা হবে এবং সেটিই থাকবে সবার জন্য উন্মুক্ত। আর আরেকটি লেয়ার যেখানে অনিয়ন্ত্রিত এবং ফিল্টার করা ছাড়া কনটেন্ট থাকবে সেটি আইএসপিগুলোর মাধ্যমে প্রদান করা হবে। অনেকটা সহজ ভাষায় এরকম একটি ব্যাপার নিয়ে ভাবনা চিন্তা হচ্ছিল মাঝখানে।

এটি কেন আমাদের জন্য ক্ষতিকর..

আগেই বলেছি যে আসলে সোপা আসলে ইন্টারনেটকে নিয়ন্ত্রণ করার ফাঁদ। এটির অধিকাংশ ধারা ই সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অধিকার হরণ করার জন্য লিখিত। প্রস্তাবিত এ বিলটি মোটামুটি ৮০ পৃষ্ঠার, যাদের যথেষ্ট ধৈর্য আছে তারা পড়ে দেখতে পারেন।

কপিরাইট ভঙ্গ আসলে কি

প্রথমেই বলে নেই, ইন্টারনেটের দুনিয়ায় কপিরাইট ভঙ্গ করার মতো আর সহজ আর কোন কাজ আছে কি না আমার জানা নেই!
তাত্ত্বিকভাবে বলতে গেলে, অন্যের কপিরাইট করা আছে বা অন্যের মেধা-স্বত্ব নষ্ট হয় এমন কোন কনটেন্ট ইন্টারনেটে যেসব ওয়েবসাইটে থাকে সেগুলো কপিরাইট ভঙ্গকারী। যেমন: হলিউডি বা বলিউডি প্রত্যেকটা মুভিরই কপিরাইট স্বত্ব উক্ত মুভির প্রযোজকের। এখন অন্যকেউ সে মুভির কোন অংশ বা গান কোন ওয়েবসাইটে আপলোড করতে পারবে না। তাহলে মুভি প্রযোজকের কপিরাইট ভঙ্গ হয়। আবার কোন সফটওয়্যারের যে ‘সিরিয়াল কি’ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়, সেসব ওয়েবসাইট উক্ত সফটওয়্যার নির্মাতা কপিরাইট স্বত্ব ভঙ্গ করছে।

ধরুন, আপনি ইন্টারনেটের কোন ওয়েবসাইট থেকে একটি ছবি নিলেন, সে ছবিটি যে একজনের কপিরাইট করা সেটি খেয়ালই করলেন না! এবার ছবিটি যখনই আপনি অন্যকোন ওয়েবসাইটে ব্যবহার করবেন তখনই আপনি কপিরাইট আইনে অপরাধী হয়ে গেলেন!
আবার ধরুন, কোনো সাইটের প্রতিটি নিউজের নিচে যে কমেন্ট বক্স আছে সেখানে একজন পাঠক এমন একটি ছবি পোস্ট করলো যেটি আসলে কোন প্রতিষ্ঠানের কপিরাইট করা, অথবা একটি হলিউডি মুভির অবৈধ ডাউনলোড (যেমন টরেন্ট) লিংক যুক্ত করে দিল। এখন অনেক কমেন্টের মাঝে হয়ত সেই সাইটের  অ্যাডমিন সে মন্তব্যটি খেয়াল করলো না বা ইচ্ছাকৃত-ভাবে মুছে দিল না। তাহলে আইন অনুযায়ী সেই সাইটে কপিরাইট ভঙ্গ করছে! অর্থ্যাৎ সোপা অনুযায়ী সেই সাইটে বন্ধ করে দেয়া যাবে এবং সেই সাইটের মালিককে জেল-জরিমানা দুটোই করতে পারবেন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল।

প্রস্তাবিত এ বিলটিতে এমন সব ধারা যুক্ত করা হয়েছে, যে ধারাবলে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ঠুনকো অভিযোগেও যেকোনো ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিতে পারবে। ধারা ১০২(এ)(২) তে কপিরাইট ভঙ্গের অভিযোগে বিদেশী যেকোনো ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেলকে। সবচেয়ে ভয়ংকর কথা হচ্ছে অ্যাটর্নি জেনারেল কে যেসব ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সেগুলো প্রয়োগের আগে ওয়েবসাইটের মালিক ঘুণাক্ষরেও কোন নোটিফিকেশন পাবেন না! তার ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে গেলেই কেবল তিনি জানবেন যে তিনি কপিরাইট ভঙ্গ (!) করেছিলেন।

ক. কোন ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে কপিরাইট ভঙ্গের অভিযোগ আসার পর এটর্নি জেনারেল যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইএসপি কে নির্দেশ দিতে পারবেন উক্ত ওয়েবসাইটের আইপি অ্যাড্রেস ব্লক করে দিতে। আর সেটি পাঁচদিনের মধ্যে বন্ধ করে দিতে বাধ্য থাকবে আইএসপি। [ধারা: ১২০(সি)(২)(এ)(আই)]

খ. কপিরাইট ভঙ্গ (!) করছে এমন কোন ওয়েবসাইট ইনডেক্স করতে পারবে না সার্চ ইঞ্জিনগুলো (গুগল/বিং)।

সার্চ ইঞ্জিন থেকে এধরণের ওয়েবসাইটের লিংক মুছে ফেলতে (ডি-ইনডেক্সড) হবে এবং সার্চ ফলাফলে তা প্রদর্শন করা যাবেনা। [ধারা: ১২০(সি)(২)(বি)]

গ. কোন ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে কপিরাইট ভঙ্গের অভিযোগ আসলে এটর্নি জেনারেল উক্ত ওয়েবসাইটের সব বিজ্ঞাপন (গুগল অ্যাডসেন্স বা ফেডারেটেড মিডিয়া) বন্ধ করে দিতে পারবেন। যেমন, আমার পরিচিত এক ছোটভাই মুভি ডাউনলোডের একটি ওয়েবসাইট পরিচালনা করে। বিনিময়ে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে সে মোটা অংকের টাকাও পায়। এখন সাইটটিতে যেহেতু অবৈধভাবে মুভি ডাউনলোডের লিংক শেয়ার করে তাই এটির বিরুদ্ধে এটর্নি জেনারেল ব্যবস্থা নিতে পারবে, বন্ধ করে দিতে পারবেন ওয়েবসাইটটির গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট। [ধারা: ১২০(সি)(২)(ডি)]

ঘ. কপিরাইট ভঙ্গকারী (!) ওয়েবসাইটের পেমেন্ট প্রসেসর (পেপাল, ভিসা, মাস্টারকার্ড, মানিবুকার ইত্যাদি) বন্ধ করে দিতে পারবেন এটর্নি জেনারেল। যেমন: আমার এক ভারতীয় বন্ধু ইন্টারনেটে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সার্ভিস বিক্রি করে। যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সে এ সার্ভিস বিক্রি করে সেখানে সে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে নিয়মিত ব্লগিংও করে। এখন কোন ব্লগপোস্ট লেখার সময় যদি সে অবৈধ (!) কোন কনটেন্ট শেয়ার করে তাহলে সে যে পেপাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে ক্লায়েন্টের কাছ থেকে টাকা নেয় সে পেপাল অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দিতে পারবেন এটর্নি জেনারেল! [ধারা: ১২০(সি)(২)(সি)]

সাইবার স্পেসের বাসিন্দাদের জন্য আরও একটি ভয়ানক ধারা হচ্ছে ২০১(বি)(১)।তারচেয়ে বেশি হাস্যকরও বটে। এতে মূলত সংগীতের পাইরেসি রোধ করার কথা বলা হয়েছে। এ ধারা অনুযায়ী আপনাকে একটি গান গাওয়ার জন্যই ৩ বছরের জেল খাটতে হবে, জরিমানা দিতে হবে হাজার হাজার ডলার।

এই আইনে বলা আছে সেইসব সাইটের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে যারা এই আইনের সেন্সরশীপ মেকানিজমকে কিভাবে পাশ কাটানো যাবে সেই তথ্য প্রদান করবে। অর্থাৎ খুব সাধারন ভাষাও যদি কোন সাইট সোপা আইনের হাত থেকে কিভাবে একটা সাইট নিরাপদ থাকবে সেই তথ্য দিয়েও অন্যকে সাহায্য করতে চায়, তখন সাহায্যকারী সাইটটির উপরেও নেমে আসতে পারে সেন্সরশীপ। এর ফলে ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো ইউজার কনটেন্ট জেনারেটেড সাইটকে অকল্পনীয় লায়াবিলিটি কস্ট বা ঝুঁকি নিতে হবে এবং সার্বক্ষণিক মনিটর করতে হবে তাদের কনটেন্ট যা এক কথায় অসম্ভব।

যেমন ফেসবুকইউটিউবফ্লিকার,উইকিপিডিয়া বা ড্রপবক্সের মতো সাইটগুলো। ইউটিউবে সবাই যেমন যেকোনো ভিডিও শেয়ার করতে পারেন তেমনি ফেসবুকেও আপলোড করা যায় যেকোনো ছবি। এখন ফেসবুকের ৮০ কোটি ব্যবহারকারীর কোন একজন যদি কপিরাইট ভঙ্গ করে একটি ছবি আপলোড করেন তাহলে এটর্নি জেনারেল চাইলে সোপা বিলের ১০৩ ধারাঅনুযায়ী কপিরাইট ভঙ্গের অভিযোগে (!) পুরো ওয়েবসাইটটিই বন্ধ করে দেয়ার ক্ষমতা রাখেন! একই ঘটনা ইউটিউবের ক্ষেত্রেও। কেউ কপিরাইট ভঙ্গ করে (!) একটি ভিডিও আপলোড করলে সে অভিযোগে পুরো ইউটিউব সাইটটিই বন্ধ করে দেয়া যাবে এ আইন অনুযায়ী!

সর্বোপরি আরও যা হবে

স্বল্প পরিসরে বিলটির প্রত্যেকটি ধারা নিয়ে লেখা সম্ভব নয়। সর্বোপরি আইনটি সম্পর্কে যা বলা যায় তা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেটকে একটি অন্ধকার যুগে নিয়ে যাবে। কনটেন্ট শূন্য হয়ে পড়বে পুরো সাইবার স্পেস। মেধাস্বত্বের নামে মুক্ত জ্ঞানচর্চা বন্ধ হবে পুরোপুরি।
আইনটিতে অস্পষ্ট অনেক বিষয় রয়েছে, রয়েছে বেশকিছু ফাঁকফোকরও। এ ফাঁক গলিয়ে এর ব্যাপক অপব্যবহার হবে, ভুক্তভোগী হবে সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা।
মানবাধিকার কর্মী হিসাবে যারা কাজ করেন বা গোয়েন্দাগিরি করে বিভিন্ন তথ্য যারা ফাঁস করেন তাদের রুখতে এ আইন ব্যাপকভাবে ব্যবহার হবে। উইকিলিকস এর মতো সাইট মুহূর্তেই ধ্বংস করে ফেলা যাবে, নতুনভাবে আর এধরণের সাইট গড়ে ওঠার কোন সুযোগ থাকবে না।
এটি ইন্টারনেটের সার্বিক নিয়ন্ত্রণের প্রথম ধাপ বলা যেতে পারে। ইন্টারনেটে মুক্তমত নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এটি অগ্রধাপ হিসাবে কাজ করবে।
অনেকে হয়ত বলবেন সোপা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আইন, তাতে আমাদের বাংলাদেশীদের সমস্যা কি? তাদের জন্য বলি, আমাদের সমস্যা মার্কিন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। এ আইনের সূত্র ধরে যেকোনো অভিযোগে বাংলাদেশ থেকেও যে কাউকে ধরে নিয়ে যেতে পারবে মার্কিন প্রশাসন।

যারা সোপা/পিপার ধারাগুলো পড়ে দেখেছেন এবং বিশ্লেষণ করেছেন তারা বলছেন যে যেসব কতৃপক্ষ যেকোন সাইটের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে, সেন্সর করতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করবে তারা সম্পূর্ণ ইমিউনিটি পাবে অর্থাৎ তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলার থাকবে না। অর্থাৎ ’ক’ এর সন্দেহ হলো ’খ’ নামের সাইটটি ”হয়তো” কপিরাইট ভঙ্গ করলেও করতে পারে এবং সেই মর্মে ‘ক’ যদি ‘খ’এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে – তখন খ সেন্সর যেমন হতে পারে, তেমনি খ যদি এই মর্মে প্রতিবাদ করে যে তাকে অন্যায়ভাবে সেন্সর করা হয়েছে তারপরেও ‘ক’-এর বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। অকল্পনীয় দস্যুতার ক্ষমতা দেওয়া হবে মুভি ইন্ডাস্ট্রি, মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিসহ আরো অনেককে।

sopa

সর্বশেষ খবরঃ

ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইটের আন্দোলনের চাপে অ্যান্টি-পাইরেসি বিল Stop Online Piracy Act (SOPA) এবং Protect IP Act (PIPA) নিয়ে আমেরিকার নীতি নির্ধারকরা এখন নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন। অনেক কংগ্রেস সদস্য যারা এই বিলের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এখন তাদের সুর বদলে ফেলেছেন।
গতকাল উইকিপিডিয়া সহ বিশ্বের ৭৫,০০০ ওয়েবসাইট এই আন্দোলনে অংশ নেয়। তারা সবাই মিলে ইন্টারনেট ব্ল্যাক-আউটে অংশ নেয়। উইকিপিডিয়ার ভাষ্য মতে সমগ্র বিশ্বের ১৬২ মিলিয়ন লোক তাদের ব্ল্যাক-আউট পেজ দেখেন এবং ৮ মিলিয়ন আমেরিকান ভিজিটর কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের খোঁজ করেন। একই সাথে ১২০০০ লোক উইকিপিডিয়া ফাউণ্ডেশনের ব্লগ পোস্টে মন্তব্য করে।
অন্যদিকে লস এঞ্জেলস টাইমস এর ভাষ্যমতে ৪.৫ মিলিয়ন লোক গুগলের SOPA এবং PIPA বিরোধী পিটিশনে স্বাক্ষর করে। একই সাথে SopaStrike.com এবং AmericanCensorship.org থেকে ৩,৫০,০০০ ই-মেইল কংগ্রেস প্রতিনিধিদের কাছে প্রেরণ করা হয়।
রিপাবলিকান সেনেটর রয় ব্রান্ট, লি টেরি, সহ বেশ কয়েকজন কংগ্রেস প্রতিনিধি যারা SOPA এবং PIPA কে সমর্থন করেছিলেন তারা তাদের মত বদলে ফেলেন।

তথ্যসূত্রঃ tech.priyo.com, cnn.com

About blogger - ব্লগার

একটি উত্তর দিন