সিম নিবন্ধনে আঙ্গুলের ছাপ পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক শুরু

সিম নিবন্ধনে আঙ্গুলের ছাপ পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক শুরু

biometric-verification1সিম নিবন্ধনে আঙ্গুলের ছাপ বা বায়োমেট্রিক পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক শুরু হয়েছে। ফলে এখন থেকে সিম বিক্রির ক্ষেত্রে বায়েমেট্টিক পদ্ধতির ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
বুধবার সকালে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) এক অনুষ্ঠানে এই নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টেলিযোগাযোগ সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী এবং বিটিআরসি চেয়ারম্যাম ড. শাহজাহান মাহমুদ।
উদ্বোধনকালে তারানা বলেন, আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হলো।এখন থেকে সকল গ্রাহকই নিজের অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার এবং রিটেইলার শপ থেকে এই পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন করতে ও নতুন সিম কিনতে পারবেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ যেখানে এই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কার্যক্রম চালু হলো।
এর আগে গত ২১ অক্টোরব নিজের নামে টেলিটকের একটি সিম আঙুলের ছাপ দিয়ে নিবন্ধন করে পরীক্ষামূলকভাবে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
এরপর ১৫ নভেম্বর থেকে সব মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো পরীক্ষামূলকভাবে বায়োমেট্টিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন এবং পুন:নিবন্ধনের কাজ শুরু করে। যদিও শুরুতে সর্বনিম্ন ১৮ শতাংশ থেকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত আঙ্গুলের ছাপ মেলেনি।
এ প্রক্রিয়ায় সিম নিবন্ধন করতে গিয়ে অপারেটরগুলোর কর্মকর্তারা নির্বাচন কমিশনের আওতাধীন ডেটাবেজের সার্ভার অনেক সময় ডাউন পেয়েছেন। এমনকি ২০ থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত পুরো সময় সার্ভার ডাউন ছিল।
বায়োমেট্রিকের আনুষ্ঠানিক শুরুর পর এই মাধ্যমে ২০১৬ সালের মার্চের মধ্যে অপারেটরগুলোকে সব পুরনো সিমের পুন:নিবন্ধন এবং তথ্য যাচাই বাছাইয়ের কাজ শেষ করতে হবে। এদিকে এক জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে সর্বোচ্চ ২০টি সিম ব্যবহারের সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে।

About Sohel Rana

একটি উত্তর দিন