সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন ( পর্ব – ০৪)

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন ( পর্ব – ০৪)

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে করবেন?

আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর কিছু সহজ বিষয় নিয়ে । যারা এই ব্যাপারে একদম নতুন হয়ত তারা উপকৃত হবেন আশা করি।আগের পর্বে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে করবেন এর ট্যাগ, url নিয়ে কথা বলেছি। আজকের পর্বে আমি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে করবেন তার বাকি অংশ নিয়ে কথা বলব। আশা করি আপনার সাইট এর রাঙ্কিং বাড়াতে এটা সাহায্য করবে। পরবর্তী পর্বে আরো টিপস নিয়ে কথা বলব।

বিশেষ সংযোজনঃ পুর্ববর্তী পর্ব ( সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব- ০৩) পরতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন ( পর্ব- ০৩)

সাইটম্যাপ:

সাইটম্যাপ একটি XML ফাইল যাতে কোনো ওয়েবসাইটের যাবতীয় লিংক আরোও কিছু তথ্যসহ থাকে – যার ফলে সার্চ ইঞ্জিনগুলো খুব সহজে এবং কার্যকরীভাবে ওয়েবসাইটে ঘুরে বেড়াতে পারে এবং প্রয়োজনীয় ওয়েবপেজগুলোকে ইনডেক্স করতে পারে। অতিরিক্ত তথ্যের মধ্যে ওয়েবপেজটি কবে সৃষ্টি হয়েছে, কবে সর্বশেষ আপডেট হয়েছে, ওয়েবপেজটি অন্য পেজের তুলনায় কত গুরুত্বর্পূণ ইত্যাদি থাকতে পারে। যেমন: http://../. .

সাইটম্যাপ কিভাবে বানাবেন:
বিভিন্ন উপায়েই সাইটম্যাপ বানানো যায়। নিজ হাতে লিংক ধরে ধরে কোড করে করতে পারেন   এছাড়াও বিভিন্ন টুলস আছে সাইট ম্যাপ বানানোর ।

সাইটম্যাপ তৈরি করার জন্য কয়েকটি লিংক:
http://code.google.com/p/googlesitemapgenerator/
http://wordpress.org/extend/plugins/google-sitemap-generator/
http://www.vigos.com/products/gsitemap/
http://www.xml-sitemaps.com/

XML ফাইলটি তৈরি করার পর যেকোনো FTP সফটওয়ার ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের home ফোল্ডারে আপলোড করুন। যেন http://www.yoursite.com/sitemap.xml. এরকম হয় ।তারপর (http://www.google.com/webmasters/tools ) এ গিয়ে লগইন করে Add a site বাটনে ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটের এড্রেস দিন ।

এতে আপনার ওয়েবসাইটি verify করতে হতে হবে।

যেকোন একটি উপায়ে verify করতে পারবেন ।এবার ড্যাসবোর্ডে Sitemaps > Submit a Sitemap অপশনে যান এবং আপনার সাইটম্যাপের নামটি টাইপ করুন। আপনি একাধিক সাইটম্যাপও সাবমিট করতে পারেন, যেমন আরেকটি হতে পারে আপনার সাইট এর ইমেইজ সাইটম্যাপ ।

 

উন্নত কন্টেনট   :

উন্নত কন্টেনট   এস. ই. ও.  এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন উন্নত লেখা নিজেই একটা এসইও।  তাই এদিকে ভাল নজর দিত হবে ।অযাচিত কীওয়ার্ড দিয়ে আপনি হয়তো প্রথমদিন রেজাল্ট পেজে আসতে পারবেন, কিন্তু খুব দ্রুতই আবার হারিয়ে যেতে ও পারে ,যদি ভিজিটর কাঙ্কিত কীওয়ার্ড সম্পর্কিত কন্টেনট না পায় । তাই কীওয়ার্ড সম্পর্কিত উন্নত কন্টেনট   লিখুন।

 

ইমেজে  alt অ্যাট্রিবিউটের  ব্যবহার:

 আমরা ওয়েব পেজে অনেক ইমেজ ব্যবহার করি। <img> ট্যাগের মধ্যে alt নামক একটা অ্যাট্রিবিউট আছে। এটার কাজ হল যদি কোন কারনে ইমেজ লোড হতে না পারে তাহলে ইমেজের বদলে এই অ্যাট্রিবিউটের বাক্যটা দেখানো। সে কারনে অনেকে এটার তেমন একটা গুরত্ব দেয় না। কিন্তু ইমেজের alt অ্যাট্রিবিউটে আপনি যদি ভাল বর্ণনামূলক কিছু লেখেন যা পেজের তথ্য এবং ইমেজটার সাথে সম্পর্কযুক্ত তাহলে তথ্যের গুরত্ব অনেক বেড়ে যাবে যা সার্চ ইঞ্জিন বেশি প্রায়রিটি দিবে ।

 

 

লিংকে title অ্যাট্রিবিউটের  ব্যবহার:

একটা পেজে অনেক লিংক থাকে। লিংকে title অ্যাট্রিবিউট ব্যবহার করলে যে সুবিধা পাওয়া যায় তা হল, যদি মাউস লিংকের উপরে নেওয়া হয় তাহলে “tool tip” হিসেবে title এ যা লিখা থাকে তা দেখায়। কিন্তু আপনি যদি লিংকের title  এ সহজ কথায় লিংকটার বর্ণনা দিয়ে থাকেন তাহলে সার্চ ইঞ্জিন এটাকে বাড়তি গুরত্ব দিবে ।

 

আভ্যন্তরীন লিংক বিন্যাস (Internal Link Building):  

আপনি যদি বিখ্যাত তথ্যভিত্তিক সাইট “উইকিপিডিয়া” ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই জানেন যে বিভিন্ন সার্চ ইন্জিনে তাদের স্থান বরাবরই প্রথম। তাদের আভ্যন্তরীন লিংক বিন্যাসটা অসাধারন। আপনি কেনই বা এ ট্রিকসটা ব্যবহার থেকে দূরে থাকবেন? Internal Linking যেমন একটি পেজ আরেকটি পেজকে ব্যকলিংক দেয় তেমনি সার্চ ইন্জিন রোবটকে প্ররোচিত করে এক লিংক থেকে আরেক লিংকে জাম্পিং করে ইন্ডেক্স করার জন্য। আর নতুন লেখার সাথে সমজাতীয় পুরনো লেখার লিংকিং এর কারনে সবগুলো পেজই সার্চ ইন্জিনের নখদর্পনে থাকে যা আপনার ব্লগের রেংক বাড়ানোর ক্ষেত্রে দারুন সহায়ক।

 

পরবর্তী পর্বে কিভাবে SEO ব্যবহার করবেন তার বাকি অংশ নিয়ে কথা  বলব।

বিশেষ সংযোজনঃ পরবর্তী পর্ব ( সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন পর্ব- ০৫) পরতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন ( পর্ব- ০৫)

লেখাটি ভালো লাগলে আমাদের ফেসবুক পেজ এ লাইক করুনঃ https://www.facebook.com/comjagat

লেখাঃ সংগৃহীত

About blogger - ব্লগার