সব চাকরিজীবীর ই–টিআইএন বাধ্যতামূলক

সব চাকরিজীবীর ই–টিআইএন বাধ্যতামূলক

etinউৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ছাড়া যেকোনো কোম্পানির বেতনভুক্ত কর্মীদের ইলেকট্রনিক কর শনাক্তকরণ নম্বর (ই-টিআইএন) থাকতে হবে। এসব চাকরিজীবীর ই-টিআইএন নেওয়া বাধ্যতামূলক। বাজেটের অর্থবিল ২০১৬-এ আয়কর অধ্যাদেশের ১৮৪এ ধারা সংশোধনের এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
শ্রমিক ছাড়া সাধারণত একটি প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক ও তদারকি পর্যায়ে বিভিন্ন পদমর্যাদার বহু বেতনভুক্ত কর্মী থাকেন। তাঁদের এখন থেকে বাধ্যতামূলক ১২ ডিজিটের ই-টিআইএন নিতে হবে। তবে দুশ্চিন্তার কারণ নেই, তাঁদের করযোগ্য আয় না থাকলে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দিতে হবে না। শুধু ই-টিআইএন থাকলেই হবে।
বেতনভুক্ত কোনো কর্মীর ই-টিআইএন না থাকলে ওই সব কোম্পানির ওপর খড়্গ পড়বে। আয়কর অধ্যাদেশের ৩০ ধারায় সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, কোনো বেতনভুক্ত কর্মীর ই-টিআইএন না থাকলে তাঁকে যে বেতন দেওয়া হবে, তা কোম্পানির বেতন খাতে খরচ হিসেবে দেখানো যাবে না।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, অনেক কোম্পানি প্রকৃত বেতনভুক্ত কর্মীর চেয়ে বেশি কর্মী দেখায়। এ ধরনের ‘ভৌতিক কর্মী’ দেখিয়ে ওই কোম্পানির আয়কর বিবরণীতে বেতন খাতে বেশি খরচ দেখানো হয়। মূলত আয় কম দেখিয়ে কর ফাঁকির সুযোগ নিতেই এটা করা হয়। এখন থেকে এ ধরনের সুযোগ অনেকাংশে কমে যাবে।

About Sohel Rana

একটি উত্তর দিন