শিক্ষক দিবসে গুগলের হ্যাপি টিচার্স ডে

শিক্ষক দিবসে গুগলের হ্যাপি টিচার্স ডে

স্কুল, কলেজে শিক্ষকদের নিয়ে মজা করেনি এমন কেউ বোধহয় খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। টিচার্স ডেতে তাই গুগল নিয়ে এল হিউমর ডুডল। এই ডুডলে গুগলের প্রতিটা অক্ষর রয়েছে কোনো না কোনো দক্ষতার জন্য।

গুগলের প্রথম বড় হাতের G শেখাচ্ছে ‘silent teacher’। এমন শিক্ষক বোধহয় সকলের জীবনেই এসেছেন। গম্ভীর, চুপচাপ, চশমার আড়ালেই মেপে নিতেন সকলকে। আর এনার ক্লাসে হোমওয়ার্ক? কারও ভুলে যাওয়ার সাধ্য আছে?

গুগলের প্রথম O এখানে গণিতজ্ঞ। ফর্মুলা আর ক্যালকুলাসে জর্জরিত কে না হয়েছে জীবনে? তবে এই ভারতেই আবিষ্কার হয়েছিল শূন্য। আর এদেশেই ছিলেন সেইসব মানুষরা যারা সাফল্যে শূন্যের গণ্ডি পেরিয়ে অনেক দূর চলে গিয়েছেন।

পরের o রয়েছে সেইসব শিক্ষকদের জন্য যারা বরাবর ক্লাসে মধ্যমণি হয়ে থাকেন। ভাষার শিক্ষক। যারা কবিতায় বাঁচে, কবিতায় শ্বাস নেন। কথাও বলেন ছন্দে। যেন, ‘all the world is a stage’ (গোটা দুনিয়াই রঙ্গমঞ্চ)।

ছোট হাতের g রয়েছে স্পোর্টস টিচারদের উদ্দেশ্যে। বলশালী পুরুষ বা ছিপছিপে তন্বী মহিলা, ফিটনেস রুটিন তাদের জীবনের মূল অধ্যাবসায়। পড়াশোনার মাঝে এক টুকরো খেলাধূলোর হাওয়া নিয়ে আসতেন এরাই।

পরের অক্ষর  রয়েছে রসায়নের শিক্ষকদের জন্য। যারা ল্যাবরেটরিতে সবসময় জানতেন ভুলভাল হলেই কিছু না কিছু বিস্ফোরণ হতে চলেছে। এরাই হাতে ধরে আমাদের শেখাতেন কীভাবে জীবনে বিভিন্ন জিনিস একে অপরের সঙ্গে মিলে যায়, সঠিক অনুপাত এনে জন্ম দিতে পারে নতুন কিছুর। এরাই কাটিয়ে দিতেন অ্যাসিডের ভয়।

সবশেষে e রয়েছে মিউজিক টিচারের জন্য। যারা আমাদের পরিচিত করেছেন জীবনে শব্দের সঙ্গে। জনপ্রিয়তায় এদেরে কাছে হার মানতেই হত অন্য শিক্ষকদের।

About অঞ্জন দেব

একটি উত্তর দিন