ল্যাপটপ কেনার পুরবেই জেনে নিন সাতটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ল্যাপটপ কেনার পুরবেই জেনে নিন সাতটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ল্যাপটপ কেনার পুরবেই জেনে নিন সাতটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

কয়েক বছর ধরে ল্যাপটপের আকার-আকৃতি ও প্রযুক্তিতে অধিক পরিবর্তন ঘটেছে। এখন সাধ্যের ভিতর প্রয়োজনীয় ল্যাপটপ  বেছে নেওয়া দুরুহ কর বিষয় হয়ে পরেছে। যখন আপনি ল্যাপটপ কিনবেন তখন কিছু বেপার মাথায় রাখলেই আপনার সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়ে যাবে।

ল্যাপটপ কেনার পুরবেই জেনে নিন সাতটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ল্যাপটপ কেনার পুরবেই জেনে নিন সাতটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

১•Touchscreen(টাচস্ক্রিন)
যদি আপনি টাচস্ক্রিন এর পণ্য ব্যাবহার করতে পছন্দ করেন, তাহোলে টাচস্ক্রিন এর ল্যাপটপ আপনার জন্য ভালো হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, উইন্ডোজ ৮ ইন্টারফেসের টাইল ও জেশ্চার আপনার টাচস্ক্রিন অভিজ্ঞতাকে উন্নত করবে এবং তা সহজে ব্যবহার করতে পারবেন।
উইন্ডোজ অপারেটিং নির্ভর ভিত্তিক ল্যাপটপ গুলোতে ওয়েব পেজ ব্যবহার করা সহজ। এ ছাড়া ছবি ও ডকুমেন্টস দেখতে অনেক সুবিধা। টাচস্ক্রিন ল্যাপটপ আপনি কিবোর্ড যুক্ত ল্যাপটপ হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে টাচস্ক্রিনের ল্যাপটপ পাওয়া যায়। সাধারণত মুভি দেখা, গান শোনা, ইন্টারনেট ব্যবহার করা ছাড়াও ছোটখাটো কাজের জন্য কম দামের ল্যাপটপ কেনাই যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে ১৫ ইঞ্চি মনিটর এর ল্যাপটপ কিনতে পারেন।

ল্যাপটপ কেনার পুরবেই জেনে নিন সাতটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ল্যাপটপ কেনার পুরবেই জেনে নিন সাতটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

২•নকশা ও ওজন
যদি আপনি ওঢীক আকারে ভ্রমণ প্রিয় হন তখন আপনি জন্য হালকা-পাতলা ল্যাপটপ বা আলট্রাবুক ব্যাবহার করতে পারেন। ১২ ইঞ্চি হতে ১৩ ইঞ্চির যে ল্যাপটপে দীর্ঘক্ষণ চার্জ থাকে সেটি কিনে নিবেন। বাড়ি বা অফিসের কাজের জন্য ল্যাপটপ কিনতে চাইলে ১৪ ইঞ্চি বা ১৫.৬ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেযুক্ত ল্যাপটপ কিনুন।
আপনি যদি গেমার বা ছবি ও ভিডিও সম্পাদনার কাজের জন্য ল্যাপটপ চান তবে আপনাকে শক্তিশালী ল্যাপটপ বেছে নিতে হবে। এ জন্য ১৫.৬ বা ১৭ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেযুক্ত ল্যাপটপ কিনতে পারেন। আপনি যদি সব সময় ল্যাপটপ সঙ্গে  নিয়ে ঘোরেন তবে আপনার জন্য ধাতব কাঠামোর ল্যাপটপ মানানসই হবে।
আপনার ল্যাপটপ যদি বাড়ির সকলেই ব্যবহার করে তবে তা ধাতব কাঠামো ও করপোরেট মডেলের হলে ভালো হবে। প্রচলিত প্রায় সব ল্যাপটপের ব্যাটারি লিথিয়াম আয়নের হয়ে থাকে। এতে যত বেশি সেল (৪-১২) থাকবে, ব্যাটারি তত বেশি সময় চার্জ ধরে রাখতে পারবে।

৩•তথ্য ধারণ ক্ষমতা
ল্যাপটপ কেনার সময় খেয়াল রাখবেন তাতে আপনি কতটুকু তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন। এখনকার দিনে ১৫.৬ ইঞ্চি ল্যাপটপ ছাড়া অপটিক্যাল ড্রাইভের ব্যবহার কম দেখা যায়। এখন হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ফ্ল্যাশ ভিত্তিক ড্রাইভ এসএসডিও ব্যবহার হতে দেখা যাচ্ছে। ফ্ল্যাশ স্টোরেজ দামি হলেও এর নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কম। এটি ছোট আকারের এবং দ্রুত কাজ করে থাকে।

৪•অপারেটিং সিস্টেম
অনেকেই সামান্য অর্থ সাশ্রয়ের জন্য  প্রি-লোডেড অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর ল্যাপটপ কেনেন না। কিন্তু নিজে থেকে ওএস এবং অন্যান্য সফটওয়্যার ইনস্টল করা কঠিন ও সময় সাপেক্ষ। ল্যাপটপ কেনার সময় আপনি যে অপারেটিং সিস্টেমে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সেটি ইনস্টল করুন।

৫•ল্যাপটপের আকার
অফিস বা বাড়ির জন্য ল্যাপটপ কেনার কথা চিন্তা করেন য়াহোলে ল্যাপটপের আকার বড় হওয়াই শ্রেয়। এতে কাজের জন্য সুবিধা পাবেন এবং চোখের সুবিধা হবে। যদি কোনো উপস্থাপনার জন্য ল্যাপটপ কিনতে হয় তবে তা হালকা-পাতলা ও ছোট স্ক্রিনের হলে ভালো হয়।

৬•ফিচার
সাধারণত ল্যাপটপে ইনটেল বা এএমডির মাল্টিকোর সিপিইউ থাকে তাহলে অনেক ভালো হয়। ল্যাপটপে ৩-৪ টি ইউএসবি পোর্ট এবং ল্যাপটপটি দ্রুতগতির কিনা তা দেখে নেওয়া ভালো। সাধারণত উচ্চ রেজ্যুলেশনের গেম খেলা, ভিডিও সম্পাদনা এবং গ্রাফিকসের কাজের জন্য উচ্চ গতির ল্যাপটপ কেনা অনেক জরুরি। এর জন্য প্রসেসরের ক্লক স্পিড ৩.০ গিগাহার্টজ বা এর বেশি হলে ভালো হয়। প্রসেসর কোন সিরিজের (কোর আইথ্রি, ফাইভ, সেভেন) তা জেনে নেওয়াও জরুরি। কেনার আগে অবশ্যই গ্রাফিকস সক্ষমতা কেমন দেখে নেবেন। ভিডিও সম্পাদনা এবং গ্রাফিকসের কাজের জন্য কমপক্ষে ৪ গিগাবাইটের ডিডিআরথ্রি র্যাম হলে ভালো হবে।

৭•ব্র্যান্ড
পুরোনো ল্যাপটপ কেনার সময় সতর্ক থাকুন। ওয়ারেন্টি দেখে নিন। পরিচিত ব্র্যান্ডের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ কেনার আগে তাদের বিক্রয় পরবর্তী সেবা ও অতীতে তাদের ল্যাপটপ বিক্রির রেকর্ড সম্পর্কে জানা থাকলে ভালো হবে। কেনার সময় অবশ্যই ওয়ারেন্টি কার্ড, চার্জার, ব্যাগ ইত্যাদি আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র যা আপনার ল্যাপটপের সঙ্গেই পাচ্ছেন তা বুঝে নেবেন। এ ছাড়া সব সময় অনুমোদিত ডিলার, আমদানিকারক, বিশ্বস্ত মাধ্যম বা দোকান থেকে ল্যাপটপ কিনুন।

About Fardin Sakib

Fardin Sakib

একটি উত্তর দিন