যত কান্ড-অকান্ড থ্রিজিতে!

যত কান্ড-অকান্ড থ্রিজিতে!

থ্রিজিতে সরকারের অপ্রত্যাশিত ক্ষতি হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা। থ্রিজির জন্য বরাদ্দ রাখা তরঙ্গ বিক্রি করে সরকারের ৮ হাজার কোটি টাকা আয় হওয়ার কথা থাকলেও ২৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বিক্রি করে সরকার আয় করেছে প্রত্যাশিত টাকার অর্ধেক অর্থাৎ ৪ হাজার ৮০ কোটি টাকা। টেলিটক থেকে পাওয়ার পরিমাণও আশানুরূপ নয়।

এদিকে নিলামে অবিক্রীত থাকা ১৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বিক্রি করার চেষ্টা করা হবে, নাকি অবিক্রীতই থেকে যাবে, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ পরিমাণ তরঙ্গ বিক্রি করতে পারলে সরকারের আরও আয় হতো আড়াই হাজার কোটি টাকা, যা না হওয়ায় সরকারেরই একটি প্রভাবশালী মহল হতাশ। কারণ, থ্রিজি নিলামের আগে মুঠোফোন অপারেটরদের বিভিন্ন দাবি সরকার মেনে নেয়। ৮ হাজার কোটি টাকা নগদ ও এককালীন আয়ের জন্য সরকার বিভিন্ন ধরনের ছাড়ও দেয়। তরঙ্গ নিলাম প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকলেও পরে নমনীয় অবস্থান নেয়। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির একটি সূত্র হতাশা প্রকাশ করে জানায়, আমরা ভাবতেও পারিনি অপারেটরেরা সব তরঙ্গ কিনবে না। এরা অতি আগ্রহ দেখিয়ে সরকারকে বাধ্য করেছে নিলামের ভিত্তিমূল্য (বেজ প্রাইস) কমাতে। ফলাফল অপারেটরগুলো কম মূল্যে তরঙ্গ কিনেছে। তারপরও তরঙ্গ অবিক্রীত থেকে যায়। 

সূত্র জানায়, মোবাইল অপারেটরেরা অনেক দেনদরবার করেই তরঙ্গের ভিত্তিমূল্য ২ কোটি ডলারে নির্ধারণ করতে সমর্থ হয়। বিটিআরসি তা নির্ধারণ করেছিল ৩ কোটি ডলার। অন্যদিকে তরঙ্গের ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশে নির্ধারণ করে সরকার। অপারেটরেরা সব দাবি আদায় করে তাদের সুবিধামতো থ্রিজি নিলামে অংশ নেয়ায় সরকারের এ অপ্রত্যাশিত ক্ষতি হলো। 

জানা যায়, বিটিআরসির আশা ছিল গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক যথাক্রমে ১৫ এবং রবি ও এয়ারটেল ৫ মেগাহার্টজ করে তরঙ্গ কিনবে। কিন্তু নিলামে গ্রামীণফোন ১০ এবং অবশিষ্ট তিন অপারেটর ৫ মেগাহার্টজ করে তরঙ্গ কেনে। বিটিআরসি অবশিষ্ট ১৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিয়ে বিপাকে পড়ে। মুঠোফোন অপারেটরেরাও এ তরঙ্গ কেনার ব্যাপারে কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছে না। 

অপারেটরগুলোর সাথে কথা বলে জানা গেছে, দেশে থ্রিজি মুঠোফোনের স্বল্পতা রয়েছে। রয়েছে কনটেন্টের অভাব। চলতি বছর মাত্র এক কোটি গ্রাহকের হাতে পৌঁছতে পারে থ্রিজি। এ অবস্থার মধ্যে বেশি পরিমাণ তরঙ্গ কিনে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগকে এরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে চাননি। 

গ্রামীণফোনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আরও দুই বছর আগে থ্রিজির লাইসেন্স দেয়া হলে তা ‘কস্ট এফেক্টিভ’ হতো। এখন বরং লোকসানই হবে। তিনি জানান, সারাদেশে থ্রিজি নিয়ে পৌঁছতে পৌঁছতেই ফোরজি চালুর সময় হয়ে যাবে। তখন কে আর থ্রিজি নিতে চাইবে। এ কারণে তার প্রতিষ্ঠান ১০ মেগার বেশি তরঙ্গ কেনাকে যুক্তিযুক্ত মনে করেনি। 

দেশীয় একটি ওয়াইম্যাক্স প্রতিষ্ঠান ও বিদেশি একাধিক প্রতিষ্ঠান অবিক্রীত ১৫ মেগা তরঙ্গ কিনতে আগ্রহী। সে প্রতিষ্ঠানগুলোও তরঙ্গ কেনার আগে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আরও দাম কমানো হতে পারে তরঙ্গের। কিন্তু দাম কমানো হলে বিদ্যমান পাঁচ মোবাইল অপারেটর তা মানবে কি না সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দিহান সংশ্লিষ্টরা। ফলে শেষ পর্যমত্ম আড়াই হাজার কোটি টাকা আয়ের স্বপ্ন সরকারের দিন দিন ফিকে হয়ে যাচ্ছে বলেই মনে করছেন টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞেরা।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান সুনীল কামিত্ম বোস বলেছেন, অবিক্রীত তরঙ্গ কী করা হবে সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধামত্ম হয়নি। তবে তিনি জানান, যদি কোনো প্রতিষ্ঠান নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে তাহলে কমিশন বিষয়টি ভেবে দেখেবে।

এদিকে ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড অ্যাক্সেস (বিডব্লিউএ) লাইসেন্সিং নীতিমালা সংশোধন করা হয়েছে ‘ওলো’-কে লাইসেন্স দেয়ার জন্য। কথিত আছে, ওলো লাইসেন্স ছাড়াই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বা ওয়াইম্যাক্স সেবা দিচ্ছে। বিডবিস্নউএ নীতিমালা সংশোধনের ফলে ওলোর লাইসেন্স পাওয়া সহজ হবে। ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্স পাওয়ার পরই ওলো-কে থ্রিজির তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়া হতে পারে।
নতুন ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্স দেয়া নিয়ে জটিলতা
নতুন করে ওয়াইম্যাক্সের একাধিক লাইসেন্স দিতে গিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স ও তরঙ্গ ফি কত হবে তার সুরাহা না হওয়ায় এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিতে পারছে না বিটিআরসি। তবে সংশিস্নষ্টরা বলছেন, একটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিয়ে বৈধতা দিতেই বিটিআরসি এ উদ্যোগ নিয়েছে। 

বিদ্যমান দুই ওয়াইম্যাক্স অপারেটর যে ফি দিয়ে লাইসেন্স নিয়েছে সে পরিমাণ টাকা নেয়া হবে, নাকি লাইসেন্স ফি নতুন করে নির্ধারণ করা হবে, তাই নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বিটিআরসি। এর সাথে তরঙ্গ বরাদ্দের বিষয়টি যুক্ত হয়ে পুরো পরিস্থিতি জটিলতর করে তুলেছে।

প্রসঙ্গত, কিউবি ও বাংলালায়ন দেশে বর্তমানে তারহীন ইন্টারনেট ওয়াইম্যাক্স সেবা দিচ্ছে। ২০০৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নিলামে ২১৫ কোটি টাকা সর্বোচ্চ দর নিয়ে প্রতিষ্ঠান দুটি লাইসেন্স নেয়। একাধিক প্রতিষ্ঠান নিলামে অংশ নিয়েও সে সময় লাইসেন্স নেয়নি। ফলে সে সময় থেকে ওয়াইম্যাক্সের জন্য বরাদ্দ রাখা তরঙ্গের একটা অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে আছে। 

বিটিআরসি চেয়ারম্যান জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ওয়াইম্যাক্সের আরও লাইসেন্স দিতে চায়। তবে এর আগে লাইসেন্স ফি ও তরঙ্গের দামের জটিলতা দূর হতে হবে। তিনি জানান, তরঙ্গ ব্যবস্থাপনা কমিটি এ সমস্যার সুরাহা করতে পারলেই লাইসেন্স দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে। যদিও তিনি জানান, লাইসেন্স ফি সরকারই নির্ধারণ করেছে। এখন এটি ২১৫ কোটিও হতে পারে বা নতুনভাবে নির্ধারিত হতে পারে।

একাধিক প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে লাইসেন্স দিতে চায় বিটিআরসি। এরই মধ্যে রাশিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান (মাল্টিনেট) লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে বিটিআরসিতে। অপারেটরটি দেশের একটি আইএসপি বাংলাদেশ ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ লিমিটেড (বিআইইএল) কিনে নিয়ে আরেকটি আইএসপির নিউ জেনারেশন গ্রাফিক্স লিমিটেডের (এনজিজিএল) সাথে যৌথভাবে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে ‘ওলো’ ব্র্যান্ড নামে। অভিযোগ রয়েছে, এ অপারেটরটি লাইসেন্স না নিয়ে অবৈধভাবে ওয়াইম্যাক্স সেবা দিচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। মূলত প্রতিষ্ঠানটিকে বৈধতা দিতেই নতুন করে আবারও ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স দিতে যাচ্ছে সরকার। অভিযোগ রয়েছে, ওলো হাজার কোটি টাকার তরঙ্গ অবৈধভাবে ব্যবহার করলেও বিটিআরসি তা বন্ধ করতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তবে বিটিআরসি বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। ওলোর হাজার কোটি টাকার তরঙ্গ ফি মওকুফ করে লাইসেন্স দিয়ে বৈধতা দিতেই নতুন করে লাইসেন্স দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বিটিআরসি। সংশিস্নষ্ট সূত্র জানায়, ওলো ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট দেয়ার কথা থাকলেও গোপনে ওয়াইম্যাক্স সেবা দিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বিটিআরসিতে অভিযোগ করলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা তা আমলে নেয়নি। 

এদিকে ওয়াইম্যাক্স সেবাদানকারী দুটি প্রতিষ্ঠান পাঁচ বছরেও লাইসেন্সের শর্ত পূরণ করতে পারেনি। লাইসেন্স পাওয়ার শর্ত হিসেবে পাঁচ বছরেও অপারেটর দুটি দেশের ৬৪ জেলায় সেবা বিসত্মৃত করতে পারেনি, এমনকি ৫ লাখ করে গ্রাহকও তৈরি করতে পারেনি। এ অবস্থায় আরও ওয়াইম্যাক্স অপারেটর বাজারে এলে সেবার মান কতটা উন্নত হবে, গ্রাহক কি সংখ্যায় পাবে, এ আলোচনা এখন সংশ্লিষ্ট মহলে। 

এ বিষয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, দুটি অপারেটরের একচেটিয়া বাজার ভেঙে দিতেই নতুন করে লাইসেন্স দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ এলাকা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের আওতায় আনা খুবই জরুরি। এসব এলাকায় ওয়াইম্যাক্স নিশ্চিত করতে নেটওয়ার্ক অবকাঠামো গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। এ কারণে আরও লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে। 

ঝুঁকিতে মোবাইল অপারেটরদের থ্রিজির বিনিয়োগ 

ওলো-কে কম দামে তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্তে মুঠোফোন অপারেটরদের থ্রিজির বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। সরকারের এ সিদ্ধামেত্ম মুঠোফোন অপারেটরেরা তাদের থ্রিজি সেবায় বিশাল বিনিয়োগ নিয়ে শঙ্কিত। তরঙ্গ বরাদ্দে গ্রহণযোগ্য ও উপযুক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে ২৬০০ ব্যান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়ার দাবি জানান তারা। 

অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) মহাসচিব টিআইএম নূরুল কবির জানান, এরা এরই মধ্যে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে দাবি, অভিযোগ ও উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, মুঠোফান অপারেটরেরা তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছে। 

থ্রিজির তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়ার পর এখনও সেবাটি পুরোপুরি চালু হয়নি। এমন অবস্থায় সরকার ওলো-কে নতুন প্রতিযোগী হিসেবে মাঠে নামিয়ে দিয়েছে। ফলে এ শিল্পের লেভেল পেস্নয়িং ফিল্ড তৈরির ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টির আশঙ্কায় রয়েছে অপারেটরেরা। যে বাজার বিশ্লেষণ করে এরা চড়া দামে ২১০০ ব্যান্ডে থ্রিজি তরঙ্গ কিনেছে, তাও বদলে যাচ্ছে। ফলে বর্তমান বিনিয়োগ ঝুঁকির পাশাপাশি আগামী দিনে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও অবিশ্বাস ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে বলে তাদের ধারণা। 

অ্যামটব মনে করে, ২৬০০ ব্যান্ডের ৭০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ থেকে ২০ মেগাহার্টজ করে তিনটি ওয়াইম্যাক্স প্রতিষ্ঠানকে (কিউবি ও বাংলালায়নসহ) বরাদ্দ দিলে মোবাইল অপারেটরেরা থ্রিজির পর এলটিই (লং টার্ম ইভাল্যুয়েশন) সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে এ ব্যান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দ পাবে না। ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) বিভিন্ন দেশে এলটিইর জন্য ২৬০০ ব্যান্ডের তরঙ্গ ব্যবহার করতে বলেছে। 

অ্যামটব ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্সিং গাইডলাইনে সম্প্রতি পরিবর্তন আনা ও তরঙ্গ বরাদ্দের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা, তরঙ্গের দাম ও প্রযুক্তিগত সুবিধার ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান সুযোগ, স্পেকট্রাম রোডম্যাপ ও তরঙ্গ বরাদ্দ নিয়ম-নীতিমালা বিষয়ে সব পক্ষের মতামত নেয়ার দাবি জানিয়েছে। কারণ হিসেবে এরা উলেস্নখ করে, লাইসেন্সিং নীতিমালা অনুসারে থ্রিজি চালুর তিন বছর পর মুঠোফোন অপারেটরেরা এলটিই সেবা দিতে পারবে। আর ওলো লাইসেন্স নিয়েই এলটিই সেবা দিতে পারবে। অপারেটরগুলোর আশঙ্কা, যে সময় এলটিই পুরনো হয়ে যাবে সে সময় মুঠোফোন অপারেটরেরা এ সেবা চালু করলে গ্রাহকেরা তা নেবে না। অপারেটরদের দাবি, এরা এলটিইর বিজনেস কেস বিশ্লেষণ করেই থ্রিজি লাইসেন্স নিয়েছে। 

জানা গেছে, সম্প্রতি কোনো নিলাম ছাড়াই ওয়াইম্যাক্স লাইসেন্স পায় ওলো। প্রতিষ্ঠানটি এ লাইসেন্স দিয়ে একই সাথে এলটিই সেবাও দিতে পারবে। ওলো ২৬০০ ব্যান্ডে ২০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ পেয়েছে মাত্র ২৪৬ কোটি টাকায়। অথচ এ তরঙ্গের দাম ৩ হাজার ৪২৯ কোটি টাকারও বেশি। বিশেষ সুবিধায় ওলো-কে এ লাইসেন্স দেয়ায় আপত্তি তুলেছে মুঠোফোন অপারেটরেরা। অপারেটরদের দাবি, ২০০৮ সালের দামে কেনো ২০১৩ সালে ওলো-কে তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়া হবে। এরা আরও জানায়, ২১০০ ব্যান্ডের চেয়ে ২৬০০ ব্যান্ডের তরঙ্গের দাম অনেক বেশি।

প্রসঙ্গত, উচ্চ আদালতে সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি রিট হয়েছে। ওই রিট আদেশে নিলাম ছাড়া ওলো-কে তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়া কেনো অবৈধ হবে না, তা আদালত জানতে চেয়েছেন। 

 

সুত্রঃ  http://www.comjagat.com/home/articles/morearticles/6985

About fsmoynul

একটি উত্তর দিন