মেয়েদের ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং : মুনির হাসান

মেয়েদের ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং : মুনির হাসান

Munir Hasanবাংলাদেশের একদল ছেলেমেয়ে এখন প্রতিদিনই প্রায় এককোটি টাকা আয় করে ইন্টারনেটে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে। এদের মধ্যে ৯৬% শতাংশ ছেলে এবং মাত্র ৪% মেয়ে। তবে, এ হলো রেজিস্টার্ড ফ্রিল্যান্সার। কিন্তু যারা কাজ করছে তাদের সংখ্যা ধরলে এই হার ১% এর চেয়েও অনেক কমে আসে। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই হার অনেক বেশি। কারণ ঘরে বসে, নিজের সময় অনুসারে কাজ করার স্বাধীনতা আসলে মেয়েদের জন্য এক বড় দুনিয়ার উন্মোচনকারী। যদি তাই হবে, তাহলে বাংলাদেশের মেয়েরা কেন এই জগতে আসছে না?

আমেরিকানদের মতো আমরা পরিসংখ্যান প্রিয় নই। হইলে একটা সার্ভে করে কারণগুলো বের করা যেত। হয়তো লক্ষনীয় কারণ গুলো –
১. মেয়েরা এই ব্যাপারে জানে না,
২. তাদের নিজের আত্ববিশ্বাস কম,
৩. কীভাবে শুরু করতে হবে সেটা জানে না,
৪. মেন্টরের অভাব ইত্যাদি ইত্যাদি।

আমরা কতিপয় অলস লোক ভাবতেছি আমাদের আলসেমির একটি নতুন অংশ হিসাবে জনা পঞ্চাশেক মেয়েকে সহায়তা করা যায কী না এই ব্যাপারে। এজন্য আমরা কয়েকটা কর্মশালা করবো ঠিক করেছি যেখানে আমরা বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলবো।

এর প্রথমটি হবে আগামি ১৫ জুন শনিবার বিকেল ৩ টায় ফ্রেপড অডিটরিয়ামে। এরপরের দুটোর একটা হবে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং অন্যটি হবে আগারগাঁও মহিলা পলিটেকনিকে। আগ্রহী মেয়েরা কর্মশালার আগে সেখানে গিয়ে নিবন্ধন করে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

এই তিন কর্মশালা থেকে আমরা ৫০ জনকে বাছাই করে কাজ করবো আশা করছি। তাদের জন্য কয়েকটা প্রশিক্ষণ ইত্যাদির আয়োজন করা হবে।
তবে, এই কাজযে আমরা ঠিক মতো করতে পারবো তার কো গ্যারান্টি কিন্তু এখনো পাওযা যায়নি। কারণ-
১. খরচাপাতি কে দেবে?
২. প্রশিক্ষণের জন্য কম্পিউটার ল্যাব দরকার সেটা কে দেবে?
৩. ওদের জন্য একটা আউটসোর্সিং হাব দরকার ঐটাই বা কই পাবো?

তারপরও নেমে পড়া যাক। কালন পথে নামলেই পথ চেনা যায়।

লেখাটি বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান এর ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে সংগৃহীত।

About কমজগৎ ডেস্ক

একটি উত্তর দিন