মামলা গ্রামীণফোনের সিইও টরে জনসেন ও সিএইচআর হারুণ ভাট্টির বিরুদ্ধে

মামলা গ্রামীণফোনের সিইও টরে জনসেন ও সিএইচআর হারুণ ভাট্টির বিরুদ্ধে

গ্রামীণফোনের সিইও টরে জনসেন ও প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার শ্রম আদালতে দায়ের করা এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে সমনও জারি করা হয়েছে।

এর ফলে টরে জনসেন ও হারুণ ভাট্টি দু’জনকেই আদালতে উপস্থিত হয়ে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করতে হবে। যদি তারা আদালতে উপস্থিত না হন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হবে।  সুত্র- বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কর্মী ছাঁটাইয়ে দেশের বিদ্যমান শ্রম আইনের লঙ্ঘন হওয়ায় মামলাটি করেছেন গ্রামীণফোনের চাকরিচ্যুত কর্মী রাসুলুল আমিন মুরাদ ও আদিবা জেরিন।

বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সেলিম আহসান খান বাংলানিউজকে জানান, ঢাকার শ্রম আদালত-১ এ মামলা করা হয়েছে। মামলার ধারাগুলো হচ্ছে— ১৮৬ এ (১) ও ২ এবং ১৯৫ (ঘ) এবং ২৯১ ও ৩০৭ ফৌজদারি। এই আদালতের বিচারক মিয়া মো. শরীফ (জেলা ও দায়রা জজ)। বিবাদীরা অভিযুক্ত হলে তাদের দুই বছরের জেল হতে পারে।

সেলিম আহসান খান বলেন, “গ্রামীণফোনের কর্মীরা যখন তাদের প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক ইউনিয়ন গঠন করে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করেছেন, ঠিক তার পরের দিন দুই বিবাদীকে চাকরিচ্যুত করা হয়। শ্রমআইন অনুযায়ী কোনো ট্রেড ইউনিয়নের রেজিস্ট্রেশন পেতে আবেদন অনিষ্পন্ন থাকা অবস্থায় কারো পদবী পরিবর্তন কিংবা চাকরিচ্যুত করা যাবে না। ট্রেড ইউনিয়নে কেউ আবেদন করার পর কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ কাউকে চাকরিচ্যুত করতে পারবে না।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুলাই গ্রামীণফোন কর্মীরা শ্রমিক ইউনিয়ন গঠনের জন্য রেজিস্ট্রেশন পেতে আবেদন করেন। আর ২৪ জুলাই রাত ১১টায় দুই বিবাদীকে চাকরিচ্যুত করার ই-মেইল বার্তা পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে সেলিম আহসান আরও বলেন, “অফিস কর্মঘণ্টার বাইরে এ ধরনের চাকরিচ্যুতিতে মালিকপক্ষের উদ্দেশ্যে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যায়।”

About বিদ্যুৎ বিশ্বাস

একটি উত্তর দিন