বিশ্বে টেলিকম সেবায় ৪ ধাপ এগুলো বাংলাদেশ

বিশ্বে টেলিকম সেবায় ৪ ধাপ এগুলো বাংলাদেশ

 

বৈশ্বিক তালিকায় টেলিকম খাতে চার ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। অন্তর্ভূক্ত হয়েছে ‘সবচেয়ে অগ্রসরমান দেশ’ তালিকায়। তথ্য সমাজের উন্নয়ন ধারা বিশ্লেষণ করে প্রণীত বার্ষিক প্রতিবেদনে এই ইতিবাচক অবস্থা উপস্থাপন করেছে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশনস ইউনিয়ন (আইটিইউ)।

বিশ্বব্যাপী টেলিকম খাতের অভিভাবক এই প্রতিষ্ঠানের জরিপে টেলিকম সেবার মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবন মান উন্নয়নে বিশ্বের ১৫৭টি দেশের মধ্যে ১৩৫তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালে এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো ১৩৯তম। সেই হিসেবে টেলি সেবায় বাংলাদেশ ৪ ধাপ এগিয়েছে। চারটি ক্ষেত্রে দশ পয়েন্টের মধ্যে বাংলাদেশের অর্জন ১ দশমিক ৭৩। আগের বছর এটি ছিল ১ দশমিক ৬২।

telecom-large

আইটিইউর মতে, ইন্টারনেট প্রসারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মতো এই তালিকায় সমান ধাপে এগিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ওমান এবং জিম্বাবুয়ে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এখনও শ্রীলংকা, ভারত এবং পাকিস্তান বাংলাদেশের সামনের সারিতে অবস্থান করছে। শ্রীলংকা তাদের আগের বছরের মতোই ১০৭তম অবস্থান ধরে রেখেছে।

ভারত ও পাকিস্তান এক ধাপ পিছিয়ে যথাক্রমে ১২১তম এবং ১২৯তম অবস্থানে নেমে গেছে। পাশের দেশ মিয়ানমারও (১৩৪তম) বাংলাদেশের সামনে রয়েছে।

আইটিইউ’র হিসেবে গড়ে ৫০ শতাংশ হারে ব্রডব্যান্ড ঘনত্বের দিক থেকে সারাবিশ্বের মধ্যে ইউরোপই এগিয়ে।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সাল থেকে এই তালিকা প্রকাশ করে আসছে আইটিইউ। এবার এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কোরিয়া এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সুইডেন।

এছাড়াও গড়ে ৫০ শতাংশ হারে ব্রডব্যান্ড ঘনত্বের দিক থেকে বিশ্বে এগিয়ে রয়েছে ইউরোপ। ব্রডব্যান্ড তালিকার শীর্ষ ১০টির মধ্যে ৮টি দেশই এ অঞ্চলের। বাসাবাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগের দিক দিয়ে অবশ্য সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া (৯৭ শতাংশ)। মাথাপিছু ফিক্সড ব্রডব্যান্ড সংযোগের দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে সুইজারল্যান্ড।

এদিকে বিশ্বের অনূর্ধ্ব ৭০টি দেশে ৫০ শতাংশের বেশি লোক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করেন এবং ৪৯টি স্বল্পোন্নত দেশে মাত্র ১০ শতাংশেরও কম লোক মোবাইল কিংবা ফাইবারনির্ভর ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পায় বলে সর্বশেষ প্রকাশিত গবেষেণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশনস ইউনিয়ন।

About বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন

একটি উত্তর দিন