বাজারে ডিসিএল এল-৩০ পাওয়ারহাউজ স্মার্টফোন

বাজারে ডিসিএল এল-৩০ পাওয়ারহাউজ স্মার্টফোন

dclএক ফোনে অনেক সুবিধা। একাধারে স্মার্টফোন আবার সেটিই পাওয়ার ব্যাংক হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে ডেফোডিলস কমপিউটরস লিমিটেডের ডিসিএল এল-৩০ স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে। শক্তিশালী ব্যাটারি আর দুর্দান্ত ক্যামেরা নিয়ে দেশের বাজারে এলো এল-৩০ মডেলের ফোনটি। এর দাম ১৭ হাজার ৯৯০ টাকা। এতে রয়েছে ৬ হাজার এমএএইচ ব্যাটারি। এটি প্রায় ৩৬০ ঘণ্টা ধরে স্ট্যান্ডবাই মোডে চলতে সক্ষম। একবার চার্জেই টানা ১০ ঘণ্টা ভিডিও দেখা, ৪৫ ঘণ্টা গান শোনা ও ৪৬ ঘণ্টা কথা বলা যায় এতে।
ফোনটির সঙ্গে যা আছে:
ডিসিএল এল-৩০ ফোনটির সঙ্গে ইউএসবি কেবল, চার্জিং অ্যাডাপ্টর, হেডফোন ও টিজি ক্যাবল, ব্যাক কভার, ইউজার ম্যানুয়াল ও ওয়ারেন্টি পেপার থাকে।
নকশা:
বর্তমান প্রচলিত স্মার্টফোনগুলোর তুলনায় ডিসিএল এল-৩০ ফোনটির নকশায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এর পেছনে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় ও ধাতব কাঠামো। ম্যাট টেক্সচার্ড হওয়ায় ফোনটি দেখতে আকর্ষণীয় ও মজবুত। ফোনটি ধরতে সুবিধা হয়। এর ভলিউম বাটন ও পাওয়ার বাটন রয়েছে ডান পাশে, আর বামে থাকছে সিম ট্রে। এতে ২টি সিম ব্যবহারের সুবিধা। ফোনটির আয়তন ৯.৮ বাই ৭৬.৭ বাই ১৫৪.৩ মিলিমিটার পাতলা। এর ওজন ২১৩.৮৮ গ্রাম।
ডিসপ্লে:
এতে আছে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের ফুল এইচডি (১৯২০ বাই ১০৮০) রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লে। এর বেজেল ২.২৫ মিলিমিটার। ৭৭.৫% স্ক্রিন টু বডি রেশিও হওয়ায় ফোনটি আকারে ছোট। এর ডিসপ্লেতে ব্যবহৃত হয়েছে ২.৫ডি গ্লাস।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর:
ডিসিএল এল-৩০ সিরিজে সংযোজন করা হয়েছে ফিঙ্গার প্রিন্ট। ফোনের পেছনে বসানো এ সেন্সর মাত্র ০.১ সেকেন্ডে চালু হয়। ৩৬০ ডিগ্রিতে মোট ৫টি আঙুলের ছাপ শনাক্ত করতে সক্ষম ফোনটি।
পারফরম্যান্স:
এতে ব্যবহৃত হয়েছে এমটি ৬৭৫৩ ৬৪ বিট অক্টাকোর প্রসেসর। এর র‌্যাম ৩ গিগাবাইট। স্টোরেজ ৩২ গিগাবাইট। ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজ বাড়ানো যায়।
পাওয়ার ব্যাংক সুবিধা:
৬ হাজার এমএএইচ ব্যাটারি থাকায় এটি পাওয়ার ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে ‘রিভার্স চার্জিং টেকনোলজি’ থাকায় অন্যান্য ফোন চার্জ দেয়া যায়।
ক্যামেরা:
ফোনটির পেছনে ১৩ মেগাপিক্সেল, লেজার অটো ফোকাস সেন্সর ও ডুয়েল এলইডি ফ্ল্যাশ রয়েছে। দ্বিতীয় প্রজন্মের লেজার অটো ফোকাস সেন্সর থাকায় ঘরের ভেতরে বা বাইরে, কম কিংবা বেশি আলোতে ভালো ছবি তুলতে পারে। ইলেকট্রনিক ইমেজ স্ট্যাবলাইজার আছে এতে।
ইউজার ইন্টারফেস অ্যান্ড্রয়েড ৬ মার্শম্যালো:
ফোনটিতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৬ মার্শম্যালোর ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ইন্টারফেস। ফোনের স্ক্রিন বন্ধ থাকার সময়ে কোনো অক্ষর লিখে সরাসরি খোলা যাবে দরকারি অ্যাপ। এতে আছে গেম জিনিনামের ফিচার। যাতে গেম খেলার সময় ফোনস্ক্রিন সোশ্যাল মিডিয়াতে লাইভ করা যায়। অ্যানিমেশন, ফোল্ডার, আইকন, থিম বা ফন্ট খুব সহজেই মনের মতো পরিবর্তন করা যায় জেনইউআই দিয়ে। কুইক নোটিফিকেশন মেনু ও নিজ ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করা যায় এই ফোনে।

About Sohel Rana

একটি উত্তর দিন