বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে প্রথম ডিজিটাল ম্যাপ

বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে প্রথম ডিজিটাল ম্যাপ

জাপানি দাতা সংস্থা জাইকার সহায়তায় বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর একটি ডিজিটাল ম্যাপ তৈরী করতে যাচ্ছে। এই ম্যাপের মাধ্যমে যে কোন এলাকার বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য ছাড়াও জিপিএস মোবাইল ব্যাবহারকারি যে কাউকে তাৎক্ষনিক ভাবে সনাক্ত করা সম্ভব হবে। এর ফলে সন্দেহভাজন অপরাধীদের খুব সহজেই সনাক্ত করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এটি তৈরিতে ৪ বছর সময় লাগবে। ডিজিটাল ম্যাপের কোন ছবি না থাকায় গুগল ম্যাপের ছবি নমুনা স্বরূপ দেয়া হল।

পৃথিবীর মানচিত্রে ছোট্ট একটি দেশ বাংলাদেশ। উপর থেকে বাংলাদেশের যে জায়গাটি দেখতে যেমন, ঠিক সে চিত্রই ফুটে উঠবে এ ধরনের ডিজিটাল মানচিত্রে। জাপান থেকে প্রশিক্ষিত এক দল দেশীয় কর্মী এজন্য কাজ করছেন পুরদমে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীনে এ মানচিত্রে সুস্পষ্টভাবে স্থান পাচ্ছে দেশের সব রাস্তা, স্থাপনা, নদী-নালা, ঐতিহাসিক নিদর্শন, গণভূমি, গ্রাম, এমনকি কৃষি জমির সীমানাও। থাকবে এসব সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যও। জরিপ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের এখানে যে ম্যাপগুলো তৈরি করছি, তা সবার জন্য উন্মুক্ত। খুবই কস্ট ইফেকটিভ ভ্যালুতে এটা নিতে পারবে। মানুষ এটা নিয়ে কাজ করতে পারবে এবং ভবিষ্যতে আমরা এটা ওয়েবসাইটে দিয়ে দিব। জিপিএসটা আপনি যদি গাড়িতে লাগিয়ে দেন, কার ট্র্যাকিং করতে পারছেন। এটা যদি মোবাইল জিপিএসে ম্যাপটি দেন, আপনি আপনার ছেলেকে দেখতে পারছেন কোথায় আছে। আপনি সবার লোকেশান পাচ্ছেন। পুলিশ বাহিনী ক্রিমিনাল ট্র্যাক করতে পারবে।”

এই মানচিত্র তৈরিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় জিপিএস স্টেশন বসানো হয়েছে। যার মাধ্যমে মোবাইল জিপিএস ব্যাবহারকারি যেকোন মানুষের অবস্থান সম্পর্কে যেমন নিশিত হওয়া যাবে, তেমনি পাওয়া যাবে আবহাওয়া সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য।

জাপানি দাতা সংস্থা জাইকার এক কর্মকর্তা বলেন, “যদি কেউ স্কুল, কলেজ কিংবা হাসপাতালে যেতে চায় তাহলে তাকে কাউকে জিজ্ঞেস করতে হয়। কিন্তু তার কাছে যদি এই ডিজিটাল মানচিত্র থাকে তাহলে তার সাহায্যে সে খুব সহজেই গন্তব্যস্থলে পৌছাতে পারে।”

২০১৬ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা।

তথ্যসূত্রঃ সময় টিভি

About blogger - ব্লগার

একটি উত্তর দিন