প্রসঙ্গ পেপালঃ আমরা কি সবসময় আইসিটির ট্রেন মিস করব?

যখন প্রতিবেশী দেশ ভারত ডাটা এন্ট্রির কাজ করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার কামিয়ে নিয়েছে তখন আমাদের বাংলাদেশে ইন্টারনেট ছিল না। যখন তারা মেডিকেল ট্রান্সক্রিপশনে একই ধরণের সাফল্য পেয়েছে তখন আমাদের ইন্টারনেটের গতি যেমন খুব স্লো ছিল ঠিক তেমনি ব্যান্ডউইথ ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। একই ধরণের কথা বলে ওয়াই২কে সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের ব্যপারেও। একাজ গুলো খুব বেশী কঠিন ছিল না কিন্তু আমরা প্রয়োজনমত সেগুলো ধরতে পারিনি। আমরা ধরতে পারিনি কল সেন্টারের আয়ের সুযোগটাও।

এখন বাংলাদেশের ইন্টারনেটের গতি যেমন বেড়েছে তেমনি মূল্য কমেছে অনেকখানি। যারা ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করছেন তারা বুঝতে পারবেন যে গত দুই বছর আগের তুলনায় ইন্টারনেটের গতি কতটা বেড়েছে। কিন্তু এখনও অনলাইনে লেনদেন করা যায় না এবং বিশেষত পেপাল না থাকার ফলে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং খাতে যে বিপ্লব এসেছে তাকে আমরা কাজে লাগাতে পারছি না। পেপাল যে কবে আসবে তা কেউ বলতে পারছে না। হতাশার মাছে এইটুকুই আশা যে গত কয়েক মাসে আমরা কিছু আশার বাণী শুনতে পেয়েছি বিভন্ন দিক থেকে। কিন্তু ঠিক কবে নাগাদ আমরা পেপাল ব্যবহার করতে পারব এবং পেপালের মাধ্যমে আমাদের তরুণ-তরুণীরা বিদেশে তাদের কষ্টার্জিত ডলারকে বাংলাদেশে বিনা ঝামেলায় এবং তৎক্ষণাৎ আনতে পারবেন এই কথাটির উত্তর কেউ জানে না।

এভাবে কি আমার বারবার আইসিটির উন্নয়নের ট্রেন গুলো কি মিস করব? ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে পেপালের মত অনলাইনে লেনদেনের ব্যবস্থা অবশ্যই করতে হবে এবং এটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের দৃষ্টিতে দেখতে হবে। আশা করব কর্তা-ব্যক্তিরা এই দিকটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিবেন এবং পেপালকে অচিরেই বাংলাদেশে আনার জন্য সব রকম ব্যবস্থা করবেন।

About itpagol

একটি উত্তর দিন