প্রকল্প চ্যালেঞ্জারের চ্যালেঞ্জ জয়

প্রকল্প চ্যালেঞ্জারের চ্যালেঞ্জ জয়

duits projectঢাবির দু’দিনের এই প্রযুক্তি উৎসবে প্রকল্প প্রদর্শনীতে সেরা হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিনব পরীক্ষণ পদ্ধতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের ষষ্ঠ ব্যাচের দুই সহপাঠীর দল জেএনইউ চ্যালেঞ্জার। তারা হলেন নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তাদের উদ্ভাবিত পরীক্ষণ পদ্ধতির রয়েছে তিনটি অংশ। একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরীক্ষার্থী, পরিদর্শক আর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এই তিনটি অংশকে সংযুক্ত করা হয়েছে এই প্রকল্পে। এর জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র সফটওয়্যার। যার মাধ্যমে এমসিকিউ প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই সফটওয়্যারগুলো দিয়ে পরীক্ষার্থীকে প্রশ্নপত্র দেওয়া, সময় নির্ধারণ, অসুদপায় অবলম্বনের শাস্তি দেওয়া ইত্যাদি বিষয় নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও পরীক্ষার্থী, পরিদর্শক এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রত্যেকেই নিজ অবস্থান থেকে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। এই পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার পরপরই তার মূল্যায়নপত্র পেয়ে যাবেন। প্রকল্পটি সম্পর্কে নাসির জানান, এই পদ্ধতিতে প্রত্যেক ছাত্র পরীক্ষা দেওয়ার পর উত্তরপত্রও পেয়ে যাবে। ফলে পরীক্ষা দেওয়ার পরই সে তার ভুল সংশোধন করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এছাড়া আমরা এখানে প্রশ্নপত্রকেও বেশ ইন্টারঅ্যাক্টিভ করেছি। এখানে ছবি ও অডিও ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষকরা যেন সহজেই ইচ্ছামতো প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারেন তার জন্যও বিশেষ সফটওয়্যার সনি্নবেশ করা হয়েছে।
প্রকল্প পরিদর্শনে বাচ্চা ভূতের গেমিং আইডিয়া উপস্থাপন করে দ্বিতীয় হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের তিন সহপাঠী। আরিফ ইবনে আলীর সঙ্গে এই দলের অন্যরা হলেন নাদিয়া নাহার ও আহমেদ তাহমিদ। তাদের পরিকল্পিত গেমটিতে বাবা-মায়ের কাছ থেকে হঠাৎই হারিয়ে যায় এক বাচ্চা ভূত। কিন্তু বয়স অল্প হওয়ায় বাচ্চা ভূতটি তখনও ভূতের অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা কিংবা রূপ পাল্টানোর ক্ষমতা রপ্ত করতে পারেনি। এই গেমটিতে গেমারের কৌশল হবে কীভাবে এই বাচ্চা ভূতকে সবার অন্তরালে রেখে তাকে খাওয়ানো এবং সে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বৈরী পরিবেশে তাকে লালন-পালন করা। আর এই বিভাগে দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের [চুয়েট] অভিযাত্রিক দল।

About ইমদাদুল হক

একটি উত্তর দিন