নির্বাচনের ভবিষ্যৎবানী করবে সফটওয়্যার

নির্বাচনের ভবিষ্যৎবানী করবে সফটওয়্যার

প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন ব্যাপক হাড়ে বেড়ে চলছে। বর্তমান সময়ে সর্ব ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার হয়। প্রযুক্তির একটি বড় আবিষ্কার সফটওয়্যার, সফটওয়্যার এর মাধ্যমে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা ডাটা জমা রাখা হয়। আর এমনি একটি সফটওয়্যার তৈরি করেছে বাংলাদেশের একটি আইটি কোম্পানী, Ultimate Information Architect Limited । এ সফটওয়্যার নির্বাচনের ভবিষ্যবানী করবে। সফটওয়্যারটি নাম হচ্ছে ‘SureWin Election’ যা রাজনীতিবিদদের নির্বাচনে জয় পেতে সুষ্ঠু ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে সাহায্য করবে। এই সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যγমে রাজনীতিবিদরা দুর্নীতি প্রবণ অঞ্চলে পূর্বনির্ধারিত ইঙ্গিতপূর্ণ পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে জনগনের আস্থা, বিশ্বাস অর্জনে সক্ষম হবে, যা অর্থ ও পেশী শক্তির দ্বারা মোটেও সম্ভবপর নয়।

এই পদ্ধতি শুধুমাত্র নির্বাচনের ফলাফলের আগাম তথ্যই দিবেনা বরং নির্বাচনে অংশগ্রহনকারীর তাৎক্ষনিক প্রচারাভিযানের কৌশলও ঠিক করে দেবে শুধুমাত্র সময়ের ব্যবধানে সংগ্রহ করা নমুনা বা তথ্যের উপর ভিত্তি করেই। এই পদ্ধতি কেবল নির্বাচনে জয়লাভ করতেই সাহায্য করবে না বরং রাজনীতিবিদদের মধ্যে সচতনতাও সৃষ্টি করবে যে, অর্থ এবং পেশীশক্তি নয় নির্বাচনে জিততে হলে প্রয়োজন সততার, সৃজনশীলতার, এবং যোগ্যতার। উচ্চ প্রযুক্তির জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই পদ্ধতি কিভাবে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী তাঁর নির্বাচনী এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে পারবে তার একটি রূপরেখা সংগৃহীত তথ্যের উপর নির্ভর করেই সে সম্পর্কে ভবিষ্যৎবানী করতে সক্ষম হবে। স্কোরিং পদ্ধতি ও তুলনামূলক বিকল্প (প্রত্যাশিত প্রার্থীদের মধ্যে থেকে) একজন যোগ্য প্রার্থী বিরোধীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য বাছাই করতে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা কমিটির কাজ আরো সহজ করে দিবে।

এই ব্যবস্থাপনার অধীনে পাঁচটি নির্বাচনে বিজয় কৌশল এবং প্রচারাভিযান পরিচালনার মডিউল আছে| o নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা কমিটি (EMC) o সংসদের সম্ভাব্য সদস্য (PMP) o বিপক্ষ দলের কর্ম ইতিহাস (OAH) o পাবলিক উন্মুক্ত সংস্থা (POF) o রাজনৈতিক দলের সদস্য (PPM)SureWin Election’এ সংরক্ষিত তথ্য দ্বারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কমিটি সাধারন নির্বাচনের একটা রূপরেখা, নির্বাচনী প্রেক্ষাপট অবলোকন করে ভবিষ্যৎবানী করতে সক্ষম হবেন। নির্বাচনী ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনাও প্রণয়ন করতে পারবে। জনগনের গ্রহণযোগ্যতা হতে প্রাপ্ত তথ্য এবং স্কোরিং পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকার একজন সম্ভাব্য প্রার্থীকে বাছাই করতে EMC’র বেগ পেতে হবে না।

পূর্ববর্তী সংগৃহীত তথ্য হতে, EMC প্রার্থীর ভালমন্দ সবগুলোদিক সংশোধন করতে পারবেন এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপও নিতে পারবেন। তাছাড়াও বিরোধী পক্ষের রাজনীতিবিদদের ইতিহাস এবং দুর্নীতি সম্পর্কেও জানতে পারবেন। EMC বেশী ভোটার তাদের পক্ষে আনতে এই তথ্য ব্যবহার করতে পারবে। একজন নির্বাচনী প্রার্থী তার নির্বাচনী এলাকার প্রেক্ষাপট / হালচাল জানতে পারবে এবং খুব ভালভাবেই সর্বোচ্ছ সংখ্যক জনগনের সাপোর্ট পাবে, SureWin Election এ দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে।

SureWin Election‘কে আরো পরিপূর্ণ বলা হচ্ছে একটি কারনে এতে OAH অর্থাৎ বিরোধী দলের নির্বাচনী সারাংশ, নির্বাচনে জয়ী হবার কৌশল অন্তর্ভুক্ত থাকবে। যা বিরোধী দলের দুর্নীতি ও অনৈতিক কার্যাবলী চিহ্নিত ও নিরূপণ করতে সাহায্য করবে। ব্যক্তিগত এবং পাবলিক সবজায়গা থেকে তথ্য সংগ্রহ ও জমা করা হবে। প্রমাণ স্বরূপ পত্রিকা কর্তন করা ডকুমেন্টারি প্রমাণ দেওয়া হবে রাজনৈতিক নেতৃবৃদ্ধের জন্য। এটা ভাষণ তৈরীতেও সাহায্য করবে। EMC এবং PMP তথ্য বিশ্নেষন করে বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন গ্রুপের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট বক্তব্য তৈরীতেও সক্ষম হবে।

Election Winning Strategy (EWS) জনগণের বিভিন্ন ধরণের মতামত থেকে আসে। যা সত্যিকার মানুষ, ঘটনা, ইস্যু বা সংবাদ থেকে উৎপত্তি হয়।এসএমএস এর মাধ্যমে বা ইন্টারনেটের ফোরামের মাধ্যমে সাধারণ জনগণ রাজনীতিবিদদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে এবং যে কোন ধরণের অভিযোগ দায়ের করতে পারবে।

এসএমএস এর মাধ্যমে বা ইন্টারনেটের ফোরামের মাধ্যমে সাধারণ জনগণ রাজনীতিবিদদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে এবং যে কোন ধরণের অভিযোগ দায়ের করতে পারবে।Political Party Members (PPM) সবসময় নেতা এবং স্থানীয় সদস্যদের সাথে সংযোগ রক্ষা করতে পারে ই-মেইল ব্যবহার করে বা এসএমএস পাঠিয়ে। এটা নেতা ও কর্মীদের মধ্যে দুরুত্বের মাত্রা কমিয়ে দিবে। নেতা তার কর্মীদের বিভিন্ন ইভেন্টে মেসেজের মাধ্যমে যেমন জম্মদিন, বিবাহবার্ষিকী ইত্যাদিতে শুভেচ্ছা পাঠাতে পারবে এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ৫ বছরে একটি এলাকার ২০০ টি গ্রামে কাজ করা যাবে। ৬ মাস পর পর একটি তথ্য বের করবে, এর উপর নির্ভর করে নেতা তার কর্মকান্ড চালাবে। নেতার লোকজন তার পক্ষে আছে কিনা এ তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে জানা যাবে। এখানে একটি পাবলিক ফোরাম তৈরি করা হবে। এই ডাটা তৈরি করা হবে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে।

Ultimate Information Architect Limited এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআইও হাবিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে অর্থ ও পেশীশক্তির দ্বারা নির্বাচনে জয়লাভ করা সম্ভব হয়। কিন্তু তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, ভোটের সহিংসতা, রাজনৈতিক দুর্নীতি, বিভিন্ন দলের ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক অনুশীলন আক্ষরিক অর্থেই কমিয়ে ফেলতে পারে। তিনি মনে করেন ‘SureWin Election’ সফটওয়্যার দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলবে।

এই সফটওয়্যারটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ২ বছর। একজন প্রার্থী ৫ বছরের জন্য নিতে পারবে, যার খরচ পরবে ১৫ লক্ষ টাকা । সফটওয়্যার নিয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:- 01556340338

 

 

 

About অঞ্জন দেব

একটি উত্তর দিন