দেশে মোবাইল ফোন গ্রাহক ৫ কোটির নিচে

দেশে মোবাইল ফোন গ্রাহক ৫ কোটির নিচে

দেশে মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি বলে প্রচারনা থাকলেও প্রকৃত গ্রাহক এর অর্ধেকেরও কম। সরকারের নীতি নির্ধারক ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কার্যকর সিম সংখ্যাকেই গ্রাহক হিসাবে প্রচার করলেও এর সঙ্গে দ্বিমত পোষন করেছেন মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর কমর্কর্তারা। মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর হিসাবে দেশে প্রকৃতপক্ষে গ্রাহক ৪ কোটি ৯০ লাখের মতো।
রোববার নতুন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের সঙ্গে দেখা করেন মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ওই বৈঠকে এক উপস্থাপনায় এমন দাবি করেছে মোবাইল অপারেটরগুলোর সংগঠন অ্যামটব।
বৈঠকে তারানা হালিম অপারেটরগুলোকে গুণগত সেবা নিশ্চিত করতে তাগাদা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গ্রাহক সেবায় মন দেন, অন্য সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’
অ্যামটব বলছে, জুন শেষে অ্যাক্টিভ সিম ১২ কোটি ৬৮ লাখ ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে। সেই হিসাবে দেশের ৭৭ শতাংশ মানুষের হাতে মোবাইল ফোন থাকার কথা। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ৪৫ শতাংশ মানুষের কাছে মোবাইল ফোন রয়েছে।
অ্যামটবের হিসাবে দেশের এখনও ৪ কোটি ৪০ লাখ প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ মোবাইল ফোন সেবার বাইরে রয়েছে। যার মধ্যে ৮৬ শতাংশই আবার বাস করে গ্রামে।
একইভাবে ইন্টারনেট নিয়েও ভিন্ন কথা বলছে অ্যামটব। তাদের হিসাবে মাত্র ২১ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। তবে সংখ্যার হিসাবে ৪ কোটি ৮৩ লাখ অ্যাক্টিভ ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে।
এ সব তথ্যের বিবেচনায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে কম ইন্টারনেট প্যানিট্রেশন বাংলাদেশে।
নতুন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম বৈঠকে অপারেটরগুলোর কর্মকর্তারা বলেছেন, দেশে তারা মাত্রাতিরিক্ত রেগুলেশনের মধ্যে আছেন, যা সেবাকে বিঘ্নিত করছে। একই সঙ্গে তারা অতিরিক্ত কর প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে।
উপস্থাপনায় বলা হয়েছে, অপারেটরগুলো ৪২ শতাংশ করপোরেট কর দেয়, যা এই অঞ্চলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
বৈঠকে টেলিকম সচিব মো. ফায়জুর রহমান চৌধুরী ও বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোসসহ সব অপারেটরের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

About Sohel Rana

একটি উত্তর দিন