থ্রিজি মোবাইল নেটওয়ার্ক দেশে ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে

থ্রিজি মোবাইল নেটওয়ার্ক দেশে ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে

বাংলাদেশে এখন থ্রিজি মোবাইল নেটওয়ার্ক চলে এসেছে। দেশের সরকারি এবং বেসরকারি মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান গুলো এখন থ্রিজি সেবা প্রদান করা শুরু করেছে। অর্পণ কমিউনিকেশন দেশে ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠায় থ্রিজি নেটওয়ার্ক কতটা প্রভাব ফেলতে পারে তার উপরে একটি গবেষণা এবং জরিপ পরিচালনা করেছে। জরিপে দেখা গিয়েছে যে বাংলাদেশের শিক্ষিত শ্রেণীর লোকদের মধ্যে থ্রিজি সম্পর্কে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে এবং তারা থ্রিজি সাপোর্ট করে এরকম হ্যাণ্ডসেট কিনতেও ব্যাপক আগ্রহী। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে থ্রিজি নেটওয়ার্কের ব্যবহার লোকজনের মধ্যে বিস্তার লাভ করলে তা ই-গভর্ণেন্স প্রতিষ্ঠায়ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

 

অর্পণ কমিউনিকেশন ৬০০ লোকের উপরে এই জরিপ পরিচালনা করে। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, চাকরীজিবি, ব্যবসায়ী, গৃহবধু সহ আরও অনেকে। জরিপে দেখা গিয়েছে যে, উত্তরদাতাদের ৭৪% বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র এবং এদের বয়স ১৮বছর থেকে ৩০বছরের মধ্যে এবং এরাই সর্বশেষ প্রযুক্তি সম্পর্কে সবচেয়ে সচেতন।

11

উত্তরদাতাদের বয়স

12

ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্যে সর্বাধিক ব্যবহৃত ডিভাইস

জরিপে আরও দেখা গিয়েছে যে ডেস্কটপ এবং মোবাইল ফোন সর্বাধিক ব্যবহৃত ডিভাইস। তবে আস্তে আস্তে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।

জরিপে যে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটি উঠে এসেছে তা হচ্ছে কম সংখ্যক উত্তর দাতা সরকারের ই-গভর্ণেন্স সেবা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল এবং এসব ই- সেবা ব্যবহারকারীর সংখ্যাও কম। বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ এর আওতায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে এবং বর্তমানে ই-গভর্ণেন্স সেবাগুলোকে ১৬টি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। কেবলমাত্র ৪ ধরণের সেবা সম্পর্কে ৫০% এর বেশি উত্তরদাতা ওয়াকিবহাল এবং ২৫% ৭ ধরণের সেবা সম্পর্কে এবং ১৫% এর কম ৯টি সেবা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।

3

ই-গভর্ণেন্স সেবা সম্পর্কে কতটা ওয়াকিবহাল

4

ই-গভর্ণেন্স সেবা ব্যবহারকারীর সংখ্যা

সিটিজেনশিপ এবং ইমিগ্রেশন, শিক্ষা সম্পর্কিত সেবাসমূহ, সরকারী চাকরী, মুক্তিযুদ্ধ, এবং সরকারি বৃত্তি সম্পর্কিত সেবা সমূহ সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ই-গভর্ণেন্স সেবা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এসব সেবা সম্পর্কে বেশি জানে।

তবে আশার ব্যাপার হচ্ছে যে উত্তরদাতাদের প্রায় সবাই থ্রিজি সম্পর্কে খুবই আগ্রহী। ৮০% উত্তরদাতা থ্রিজি প্রযুক্তি সম্পর্কে জানেন কারণ ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়াতে থ্রিজি সম্পর্কে বিভিন্ন খবর ছাপা হয়েছে।

5

থ্রিজি সম্পর্কে সচেতনতা

৮৪% উত্তরদাতা জানিয়েছেন যে তারা থ্রিজি সমর্থিত মোবাইল ফোন কিনতে আগ্রহী।

6

গত বছরে বাংলাদেশে থ্রিজি নেটওয়ার্ক চালু হয়ে। অক্টোবর মাসে টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ থ্রিজি সেবা প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক ভাবে চালু করে। এ বছরের সেপ্টেম্বরে থ্রিজি তরঙ্গ নিলামে চারটি বেসরকারী মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিলামে বিক্রী করা হয়।

অর্পণ কমিউনিকেশনঃ

অর্পণ কমিউনিকেশন বাংলাদেশের উন্নতির জন্যে নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে থ্রিজি নেটওয়ার্ক এবং ই-গভর্ণেন্স এর উপরে কাজ করতে আগ্রহী। বর্তমান বিশ্বে থ্রিজি মোবাইল নেটওয়ার্ক খুবই জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও ইতিমধ্যে থ্রিজি নেটওয়ার্ক চালু হয়ে গিয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে থ্রিজি নেটওয়ার্কের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। ই-গভর্ণেন্স ডিজিটাল বাংলাদেশের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং

এবং থ্রিজি নেটওয়ার্ক ই-গভর্ণেন্স প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিশাল ভূমিকা রাখবে। এ কারণে অর্পন কমিউনিকেশন বাংলাদেশে থ্রিজি নেটওয়ার্ক  ই-গভর্ণেন্স প্রতিষ্ঠায় এর প্রভাব নিয়ে কাজ করছে।

About বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন

একটি উত্তর দিন