“তেল-গ্যাসের মায়া ছাড়ি, বাতাসে চলবে গাড়ি!”

“তেল-গ্যাসের মায়া ছাড়ি, বাতাসে চলবে গাড়ি!”

মনে করুন যদি গাড়ি চালাতে তেল-গ্যাসের বদলে বায়ুশক্তি (বাতাস) ব্যবহার করা হয় তাহলে কেমন হবে? অবশ্যই খুব ভালো হবে। যেভাবে তেল-গ্যাসের মুল্য বেড়ে চলেছে, এর থেকে ফ্রি বাতাসের ব্যবহারে গাড়ি চালানোর প্রযুক্তি খারাপ হবে বলে মনে হয়না। ফ্রান্সের গাড়ি তৈরির কোম্পানি প্রিজো এই নতুন প্রযুক্তি সম্বলিত গাড়ি তৈরির কথা জানিয়েছেন।

"এবার তেল-গ্যাসের মায়া ছাড়ি, এখন বাতাস চালাবে গাড়ি!"    মনে করুন যদি গাড়ি চালাতে তেল-গ্যাসের বদলে বায়ুশক্তি (বাতাস) ব্যবহার করা হয় তাহলে কেমন হবে? অবশ্যই খুব ভালো হবে। যেভাবে তেল-গ্যাসের মুল্য বেড়ে চলেছে, এর থেকে ফ্রি বাতাসের ব্যবহারে গাড়ি চালানোর প্রযুক্তি খারাপ হবে বলে মনে হয়না। ফ্রান্সের গাড়ি তৈরির কোম্পানি পিজো এই নতুন প্রযুক্তি সম্বলিত গাড়ি তৈরির কথা জানিয়েছেন।    তবে এই নতুন প্রযুক্তির গাড়িটিতে বাতাসের পাশাপাশি পেট্রল দিয়ে চালানোরও ব্যাবস্থা থাকবে। স্বাভাবিক ভাবে গাড়ির জ্বালানীতে যে পরিমাণ খরচ হয় তাঁর থেকে এই নতুন প্রযুক্তি সম্বলিত গাড়িটিতে ৪৫% কম খরচ পড়বে। বায়ু চালিত এই গাড়িটি চালানোর মোট ৬ভাগের ৫ভাগেই যদি বায়ুর ব্যাবহার করা হয় তাহলে ৮০% পর্যন্ত জালানি খরচ কম পড়বে। সাধারণ একটি অন্তর্দাহ ইঞ্জিন, উন্নত প্রযুক্তির হাইড্রোলিক এবং গিয়ার বাক্সসহ কমপ্রেসড বায়ুভর্তি সিলিন্ডার লাগানো হয় এই নতুন প্রযুক্তিতে। নতুন প্রযুক্তির এই সিলিন্ডারটি শক্তি সঞ্চয় করবে এবং তা নির্গমন করার কাজও করে।এই নতুন  বায়ু দ্বারা চালিত গাড়িটি শুধু শহরেই চালানোর জন্য। গাড়িটি প্রতি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারবে। বিজ্ঞানিরা এই নতুন প্রযুক্তির গাড়িটি তৈরি ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী কাহিনি বলে মনে করছেন। কেননা, এই নতুন প্রযুক্তি সম্বলিত গাড়িটিতে এবারেই প্রথম কোন ব্যবহুল ব্যটারির প্রয়োজোন পড়বেনা। অন্যান্য গাড়ির তুলোনায় এই গাড়িটিতে খরচ ১হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড কম হবে। প্রায় ১০০জন বিজ্ঞানি এবং প্রকৌশলী প্রায় তিন বছর ধরে কাজ করছে এই গাড়িটির জন্যে। তারা অতি গোপোনিয়তার সাথে প্যারিসের ভোলিজি এলাকায় পগোর গবেষণা কেন্দ্রে কাজ কাজ করছেন। গবেষক টিম আশা করছে ২০১৬ সাল নাগাদ গাড়িটি রাস্তায় নামাতে পারবে।
তবে এই নতুন প্রযুক্তির গাড়িটিতে বাতাসের পাশাপাশি পেট্রল দিয়ে চালানোরও ব্যাবস্থা থাকবে। স্বাভাবিক ভাবে গাড়ির জ্বালানীতে যে পরিমাণ খরচ হয় তাঁর থেকে এই নতুন প্রযুক্তি সম্বলিত গাড়িটিতে ৪৫% কম খরচ পড়বে। বায়ু চালিত এই গাড়িটি চালানোর মোট ৬ভাগের ৫ভাগেই যদি বায়ুর ব্যাবহার করা হয় তাহলে ৮০% পর্যন্ত জালানি খরচ কম পড়বে। সাধারণ একটি অন্তর্দাহ ইঞ্জিন, উন্নত প্রযুক্তির হাইড্রোলিক এবং গিয়ার বাক্সসহ কমপ্রেসড বায়ুভর্তি সিলিন্ডার লাগানো হয় এই নতুন প্রযুক্তিতে। নতুন প্রযুক্তির এই সিলিন্ডারটি শক্তি সঞ্চয় করবে এবং তা নির্গমন করার কাজও করে।এই নতুন  বায়ু দ্বারা চালিত গাড়িটি শুধু শহরেই চালানোর জন্য। গাড়িটি প্রতি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারবে। বিজ্ঞানিরা এই নতুন প্রযুক্তির গাড়িটি তৈরি ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী কাহিনি বলে মনে করছেন। কেননা, এই নতুন প্রযুক্তি সম্বলিত গাড়িটিতে এবারেই প্রথম কোন ব্যবহুল ব্যটারির প্রয়োজোন পড়বেনা। অন্যান্য গাড়ির তুলোনায় এই গাড়িটিতে খরচ ১হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড কম হবে। প্রায় ১০০জন বিজ্ঞানি এবং প্রকৌশলী প্রায় তিন বছর ধরে কাজ করছে এই গাড়িটির জন্যে। তারা অতি গোপোনিয়তার সাথে প্যারিসের ভোলিজি এলাকায় পগোর গবেষণা কেন্দ্রে কাজ কাজ করছেন। গবেষক টিম আশা করছে ২০১৬ সাল নাগাদ গাড়িটি রাস্তায় নামাতে পারবে।

About Mahdi Hasan

Mahdi Hasan

একটি উত্তর দিন