“তিনবেলা ভরা পেট খেতে না পারি, শুধু একটু বাঁচতে চাই! বাঁচতে দাও!”

“তিনবেলা ভরা পেট খেতে না পারি, শুধু একটু বাঁচতে চাই! বাঁচতে দাও!”

“বিশ্বকাপের জোয়ারে ব্রাজিলের স্টেডিয়াম আনন্দে হইহই কান্ড, অন্যদিকে একই দেশের সাধারণ জনগনের চোখের জল বাতাসে মিশে সৃষ্টি করেছে দুর্গন্ধ!” ঠীক এমনই দৃশ্য উঠে এসেছে ফটোগ্রাফার মারিও তামার ক্যমেরায়।

শুধু একটু বাঁচতে চাই! বাঁচতে দাও!

মারিও তামার ছবিগুলো বলছে, “তিনবেলা ভরা পেট খেতে না পারি, শুধু একটু বাঁচতে চাই! বাঁচতে দাও!” ব্রাজিলে একদিকে দেখা যাচ্ছে বিশ্বকাপের জোয়ারে ভেসে যাওয়া মানুষের কলরব, অন্যদিকে সাধারণ জনগনের একটু বেঁচে থাকার আশায় শুন্যে ছোড়া ক্ষুধার্থ দৃষ্টি। সরকার বিশ্বকাপকে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যবস্থা করেছে জমকালো আয়োজন, অপর দিকে সেই দেশের জনগনের একটা বিশাল অংশ এই ব্যপারে নাখোশ! যেই দেশের জনগনের বিশাল একটা অংশ চরম অর্থ কষ্ট আর অনাহারে বাস করছে, সেই স্থানে শুধু মাত্র খেলার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করা যে জীবন্ত সোনার হরিণ মত, তা আর বলার অপেক্ষার কি?

তারপরেও যদি বিশ্বকাপে অর্জিত টাকা দিয়ে তাদের জীবনের উন্নয়ন হয়!

                                   ব্রাজিলের কিছু আলোক চিত্রঃ

চোখের জল বাতাসে মিশে সৃষ্টি করেছে দুর্গন্ধ!

একটু বেঁচে থাকার আশায় শুন্যে ছোড়া অতৃপ্ত দৃষ্টি

চরম অর্থ কষ্ট আর অনাহারে বাস করছে

About Mahdi Hasan

Mahdi Hasan

একটি উত্তর দিন