ঢাকায় শেষ হলো ইন্টারনেট উৎসব, রাজশাহীতে শুরু

ঢাকায় শেষ হলো ইন্টারনেট উৎসব, রাজশাহীতে শুরু

internet-week1ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা, দর্শক সমাগম আর নানা বিনোদনমূলক আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হল ঢাকায় অনুষ্ঠিত দেশের সর্ববৃহৎ ইন্টারনেট উৎসব ‘বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫’। একই সাথে সাড়া জাগানোর আশা নিয়ে বুধবার থেকে রাজশাহীতে শুরু হচ্ছে এই আয়োজন।
বিভাগীয় শহরটির স্থানীয় নানকিং বাজারে এই উৎসব আয়োজন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং গ্রামীণফোন।
উৎসবে অংশ নিবে ই-কমার্স, ওয়েবপোর্টাল, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ও সারাদেশের স্থানীয় মোবাইলভিত্তিক নানান উদ্যোগ। এসব উদ্যোগ প্রচার ও প্রদর্শন করা হবে। দর্শনার্থীরা এসব সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সরাসরি দেখতে ও জানতে পারবেন।
বুধবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের উদ্বোধন করবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বক্তব্য রাখবেন বেসিসের সভাপতি শামীম আহসান, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এসএম আশরাফুল ইসলাম, গ্রামীণফোনের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন, বেসিসের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫ এর আহ্বায়ক রাসেল টি. আহমেদ।
এছাড়া উপস্থিত থাকবেন বেসিসের সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, মহাসচিব উত্তম কুমার পাল, যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ শাহ ইমরাউল কায়ীশ, পরিচালক ও বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫ এর সহ-আহ্বায়ক আশ্রাফ আবির, পরিচালক আরিফুল হাসান অপু, নির্বাহী পরিচালক সামি আহমেদ, গ্রামীণফোনের গ্রামীণফোনের ডিরেক্টর (স্টেকহোল্ডার রিলেশনস) ইশতিয়াক হুসেন চৌধুরীসহ অনেকে।
এর আগে গত ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বনানী মাঠে বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক আয়োজন করা হয়। ৯ সেপ্টেম্বর রাজশাহীতে এই উৎসব পালনের পর ১১ সেপ্টেম্বর সিলেটের সিটি ইনডোর স্টেডিয়ামে এই উৎসব পালিত হবে।
ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটে বড় উৎসবের পাশাপাশি ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দেশের সবকটি উপজেলায় এই উৎসব পালন করা হচ্ছে।
উৎসবের অংশ হিসেবে প্রায় অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মশালা, সেমিনার এবং দেশের গনমাধ্যমগুলোতে অন্তত ৭টি পলিসি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। আর এর মাধ্যমে ইন্টারনেট প্রবৃদ্ধির হার বাড়িয়ে প্রতি বছর নূন্যতম এক কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়ানো, সাধারণ জনগনকে আরও বেশি অনলাইন সেবার আওতায় আনাসহ তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটভিত্তিক উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিতকল্পে এগিয়ে যাওয়াও এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

About Sohel Rana

একটি উত্তর দিন