‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৪’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৪’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে আমরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, দারিদ্র বিমোচন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য তথ্যপ্রযুক্তি আমাদেও এগিয়ে যাওয়ার পথে সহায়ক শক্তি হবে।
আজ বুধবার দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে বড় উৎসব ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৪’ উদ্বোধনকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক এ আন্তর্জাতিক আসর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ‘রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়নে সরকারের  নানা উদ্যোগ ও অর্জনের কথা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক আইসিটি কোম্পানিকে ¬বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশে স্যামসা ংয়ের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করেছে। গুগল, মাইক্রসফট ও ডেলের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলদেশে তাদের অফিস স্থাপন করেছে। আমরা তাদেরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানাই। সরকার তাদেররকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। এর ফলে দেশের তরুণ মেধাবী প্রজন্ম নিজের ও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে।”
বাংালাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকেই তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের জন্য প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। এ সেক্টরকে থার্স্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত সফটওয়্যার ও আইটি ব্যবসায়কে আয়কর মুক্ত রাখা হয়েছে। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ঋণ সহ ইকুয়িটি এন্টারপ্রেনিয়রশিপ ফান্ডের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “ বাংলাদেশকে আর হাত পেতে চলতে হবে না। প্রযুক্তির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম ২৩ বছরের সংগ্রাম আর নয় মাসের যুদ্ধের প্রকৃত ফসল ঘরে তুলবে। বিশ্বে আমরা মাথা উঁচু করে চলবো।”
এসময় ২০২১ সালের মধ্যে সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা রফতানি আয় বর্তমানের ১০০ মিলিয়ন থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল লাইন স্থাপনের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে উচ্চগতির নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারেনট সংযোগ পৌছে দিতে ২০১৫ সালের আগেই দেশজুড় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ স্থপন করা সম্ভব হবে বলে জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই মোবাইল ফোনে থ্রিজি প্রযুক্তি চালু হয়েছে। খুব শিগগিরই ফোরজি প্রযুক্তি চালু করা হবে।
দেশের ১৬ কোটি মানুষ মধ্যে ১১ কোটি সিম ব্যবহার করে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি নিজেও একাধিক সিম ব্যবহার করি। আমার ছেলে জয় যখন স্কুলে পড়ে তখন তার কাছ থেকেই আমি কম্পিউটার চালানো শিখেছি। ৯১ সালে দলের জন্য কম্পিউটার কিনেছি। এর মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেছি।
সভাপতির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনাব আব্দুল লতিফ সিদ্দীকি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অগ্রগতির পথের সকল জঞ্জাল ঝেটিয়ে বিদায় করতে হবে। সম্মিলিত ভাবেই এই অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে আমাদেও আবর্জনা পরিস্কার করতে হবে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে আজকের তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।  সরকারি বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে দিনবদলের সনদ বাস্তবায়িত হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এর সুচিন্তায় আমরা আমাদের ভবিষ্যত গন্তব্য নির্ধারণ করেছি। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা প্রকৃত সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা হবে। ইতিমধ্যেই আমরা উপজেলা পর্যায়ে ই-তথ্য সেবার মাধ্যমে জনগনের দোরগড়ায় নাগরিক সেবা পৌছে দিতে সক্ষম হয়েছি।  আমরা আগামী বছর আইসিটি থেকে এক বিলিয়ন রপ্তানি আয় করতে সক্ষম হবো।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব কামাল উদ্দিন আইসিটি মন্ত্রণালয়ের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

সভাপতি শামীম আহসান বলেন, সরকারি- বেসরকারি উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এত বড় মেলা আয়োজিত হচ্ছে। এটি নতুন যুগের সূচনা করলো। রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আমরা সরকারের সাথে কাজ করছি। বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে চলছি। আমরা আশা করছি, এই খাত থেকে আগামীতে জিডিপির এক শতাংশ অবদান রাখতে সক্ষম হবো।
আয়োজনের প্রধান প্রকল্প কর্মকর্তা ও বেসিস মহাসচিব রাসেল টি আহমেদ আয়োজনের সঙ্গ সম্পৃক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সবার সহযোগিতা না পেলে এক মাসের কম সময়ে এত বড় মেলা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন সম্ভব হত না।

উদ্বোধনের পর লেজার শো’র মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের বিভিন্ন সেবা উপস্থাপন করা হয়।

প্রযুক্তির মেলবন্ধনে ‘ভবিষ্যতের বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে আজ শুরু হওয়া মেলা চলবে আগামী ৭ জুন পর্যন্ত। আগামীকাল বৃস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে ।

তথ্য-প্রযুক্তির এ জমকালো উৎসব। প্রদর্শনী ছাড়াও সেমিনার, কর্মশালা, আইটি জব ফেয়ার ও সিইও নাইট অনুষ্ঠিত হবে। মেলা প্রাঙ্গনে দর্শণার্থীদের নতুন অভিজ্ঞতা দিতে থাকছে সেলফি বুথ ও বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা। এলইডি স্ক্রিনে মেলার উল্লেখযোগ্য আয়োজন সরাসরি উপভোগ করা যাবে। এছাড়া ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড’ নামের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে মেলার বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং আয়োজন সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জানা যাবে।

একের ভেতর তিন
তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা উপস্থাপনে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে আগামী দিনের পরিকল্পনা উপস্থাপন হচ্ছে এবাে আহমেদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের নারীরা অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তারা ঘরে বসেই আয় করছেন। ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আমদের নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
বেসিস আহমেদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের নারীরা অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তারা ঘরে বসেই আয় করছেন। ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আমদের নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
বেসিস আহমেদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের নারীরা অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তারা ঘরে বসেই আয় করছেন। ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আমদের নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
বেসিস রর ডিজিটাল আসরে। তিনটি পৃথক মেলাÑ সফট এক্সপো, ই-গভর্ন্যান্স ও মোবাইল ইনোভেশন এক্সপোর সেতুবন্ধনে ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৪ হয়ে উঠছে ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। মেলায় ই-কমার্স জোন, বিপিও ফোরাম, ডেভেলপারস ফোরাম এবং আউটসোর্সিং ফোরামে নানা উদ্ভাবনী উদ্যোগের পসরা নিয়ে হাজির থাকছে তরুণ প্রযুক্তিবিদরা।

মেলায় যত প্রদর্শনী

মোবাইল ইনোভেশন: মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপে বাংলাদেশের জয়যাত্রা তুলে ধরতে ২৫টি স্টলে সেজেছে মোবাইল ইনোভেশন’ শীর্ষক প্রদর্শনী। এখানে বাংলাদেশি ডেভেলপার কোম্পানির জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশনের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন দর্শনার্থীরা।  উইন্ডোজ, আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্মের হাজারের বেশি দেশি অ্যাপ্লিকেশন থাকবে মোবাইল ইনোভেশন জোনে।

সফটএক্সপো: মেলায় বেসরকারি পর্যায়ে ১৫০টি স্টলে দেশে তৈরি বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রদর্শন করবে সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।

ই-গভর্ন্যান্স : মেলায় ৯৫টি স্টল থেকে নানা ই-সেবা প্রদর্শন করবে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদফতর। মূলত ‘ই-গর্ভন্যান্স’  শীর্ষক প্রদর্শনীর মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সরকারের অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাওয়া যাবে।

আইটি জব ফেয়ার : মেলা প্রাঙ্গনে এসে পছন্দের আইটি কর্মীদের খুঁজে পেতে হাজির থাকছে ৯টি আইটি প্রতিষ্ঠান। মেলায় থাকা বুথে প্রথম তিন দিন থেকেই সিভি জমা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। মেলার শেষ দিন সকালে সাক্ষাতকারের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন যোগ্য প্রার্থী।

সেমিনার ও কর্মশালা
প্রদর্শনীর বাইরে সম্মেলন থাকছে প্রায় ৩০টি সেমিনার এবং ১৪টি টেকনিক্যাল সেশন, সিইও নাইট ও অ্যাওয়ার্ড নাইট সহ তিনটি মেগা নাইট। সেমিনারের মধ্যে ব্যবসায় বিষয়ে ১৫টি, ই-গভ: নিয়ে ১২টি এবং ৩টি স্পেশাল সেশন। উদ্বোধনী দিনে আজ মিডিয়া বাজারে ‘ই-লার্নিং, এসএমএসি এবং শিক্ষণ পদ্ধতির রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিষয়ে এবং উইন্ডি টাউনে ‘তথ্যের নিরাপত্তা’, টেক স্টার্ট আপ-কে উৎসাহিতকরণ ও আরওআই ভিত্তিক প্রসেস ম্যাচুরিটি নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়াও গ্রিন ভিউতে থাকছে তিনটি টেকনিক্যাল সেশন।

আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মিলনমেলা
বিনিয়োগ আকর্ষণ ও মেধা অন্বেষণসহ তথ্যপ্রযুক্তির প্রচার, প্রকাশ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ে এবং দেশের তরুণ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সফল আইটি ব্যক্তিত্বদের পরিচয় করিয়ে দিতে এই মিলনমেলায় ১৫টিরও  বেশি দেশ থেকে যোগ দিচ্ছেন ৩২ জন আইটি বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তা।  তথ্যপ্রযুক্তির নিয়ে আয়োজিত সেমিনার ও টেকন্যিক্যাল সেশনে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন তারা। এর মধ্যে রয়েছেন পিটার ভোগেলার, মার্টিন লেবে, টোরেক ফারহাদি, ক্লাউস ট্রিলিংসগ্রাড, ব্রাডলি মিয়ার্নস, মুরালি বালাকৃশনম, লারস স্যামুয়েলসেন, ফার্ডিনান্দ   কেজায়রালফ, মর্টেন লুন্ড, কেটি গোভ, মাইকেল কোলে, ড. পল্পব সাহা, অশোক কুমার, ইভার ট্যালো, ড.  হেনরিক হ্যানসন, সবারজিৎ সিং, বর ভ্যান ইজবার্গেন, ব্রায়ন জেইসেন, কেলিসিয়া ব্রাউন, হ্যান্স মার্টিন হোহ  হেনরিকসন, মার্ক স্পেপিওটা এবং সুন্দর রাম।

বিদেশি এসব স্পিকাররা ছাড়াও খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরাও বক্তব্য দেবেন এই সম্মেলনে। বিষয় ভিত্তিক সেশনে বক্তব্য দেবেন ড. বদরুল হুদা খান, শামীম আহসান, ফাহিম মাশরুর, অনীর চৌধুরী, সাইদুর মামুন খান, অরুণ গুপ্ত, মোহাম্মদ এম জামান, সাজীদ আকতার, লুনা শামসুদ্দোহা, অধ্যাপক ড. সুরাইয়অ পারভীন, হাসান মজুমদার, অধ্যাপক ইমরান রহমান, এস এম আশরাফুল ইসলাম, হাবিবুল্লাহ এন করিম, ভাস্কর ভট্টাচার্য, রাউলি রফিকুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ মো. ইহসানুল করিম, অধ্যাপক ড, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

আয়োজক যারা
যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করছে ডাক,  টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মšúণালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। আয়োজন সহযোগী হিসেবে রয়েছে প্রধানমšúীর কার্যালয়ের অ্যাক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল [বিসিসি], মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব, প্রযুক্তি পণ্য বিক্রেতাদের সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য), বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজি (বিডব্লিউআইটি) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংবাদকর্মীদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ)।

About কমজগৎ ডেস্ক

একটি উত্তর দিন