কম্পিউটার ছাড়াই রাখির কীর্তি!

কম্পিউটার ছাড়াই রাখির কীর্তি!

Rakhiপ্রথমেই বলে রাখি, মেয়েটির নিজের কোনো কম্পিউটার নেই। কিন্তু তাতে কী? অদম্য ইচ্ছা থাকলে কিনা হয়! নিজের কম্পিউটার ছাড়াই কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা শিখে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ঝিনাইদহের মহেষপুর উপজেলার শিক্ষার্থী রোকাইয়া আক্তার রাখি।
৭ এপ্রিল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্বে জুনিয়র ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে রাখি।
মহেষপুর পৌর ল্যাবরেটরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাখি গৃহিণী মায়ের স্মার্টফোনে প্রোগ্রামিংয়ের চর্চা চালিয়েছে। রাখির ভাষ্য, কম্পিউটার নিয়ে আগ্রহ থাকলেও নিজের কম্পিউটার না থাকায় কখনো প্রোগ্রামিং করার কথা ভাবিনি। কিন্তু সম্প্রতি এলাকার বড় ভাই গোপালগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমানের আগ্রহে তাদের স্কুলের কয়েকজনের সঙ্গে সে–ও কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা শিখতে শুরু করে। মায়ের স্মার্টফোনে ‘সি ফর অ্যান্ড্রয়েড’ কম্পাইলার ব্যবহার করে নিজের চর্চা চালিয়ে গেছে সে। এ ছাড়া মাঝেমধ্যে অনলাইনে প্রোগ্রামিং জাজিং প্ল্যাটফর্ম কোডমার্শালে প্রোগ্রাম জমা দিয়েছে সে। এরই মধ্যে সি প্রোগ্রামিংয়ের প্রাথমিক বিষয়গুলো সে শিখে ফেলেছে।
মিজানুর রহমানের প্রচেষ্টায় মহেষপুরে গড়ে উঠেছে প্রোগ্রামিং শেখার সংগঠন মহেষপুর জুনিয়র কোডার। এই প্রতিষ্ঠানেরই ১২ জন শিক্ষার্থী যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রতিযোগীদের হারিয়ে আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী হয়ে জাতীয় পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২৪ এপ্রিল ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

About Sohel Rana

একটি উত্তর দিন