কন্টেন্ট রাইটারদের জন্য ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

কন্টেন্ট রাইটারদের জন্য ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

একজন ভালো ফ্রীলান্স লেখক হতে হলে আপনাকে ভাল মানের লেখার অভ্যাস করতে হবে কিন্তু আপনি এক লাফেই যে ভাল মানের লেখক হবেন এটা ভাববেন না, লক্ষনীয় বিষয় যে, বর্তমান ফ্রীলান্স জগতে লক্ষ লক্ষ লেখক প্রতিনিয়তই লিখালিখি করছেন ব্যক্তিগত ব্লগ ছাড়াও বিভিন্ন ব্লগে,তাই বর্তমান ইন্টারনেট জগত দিন দিন ব্যস্থ হয়ে পড়ছে ব্লগারদের ভীড়ে। এই ভিড়ে কিন্তু ভালো মানের লেখা গুলো পাওয়া যাচ্ছে না। বরং খারাপের ভিড়ে ভালো কন্টেন্ট রাইটারদের মান কমে যাচ্ছে, এবং এগুলো কেন হচ্ছে এইগুল নিয়ে আজকে কিছু কথা।

url

লেখাটি হতে হবে প্রকৃত মানেরঃ

যেকোনো মানের আর্টিকেলই প্রকাশ করতে প্রস্তুত ছিল আর্টিকেল রাইটিং এর শুরুর দিকে ওয়েবসাইট মালিকরা । তবে এখন আর সেই দিন নেই। লেখাগুলো নিম্ন মানের হওয়ায় ভিজিটরের দৃষ্টি কারে না। এজন্য কোন কন্টেন্ট যদি উপস্থাপন করতেই হয় সেটা যেন ইউনিক এবং সেটা পাঠকের বোধগম্য হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়।

 

লেখাটি অবশ্যই ইউনিক হতে হবেঃ

পুরাতন লেখাকে সাজিয়ে নতুন করা বা কোন কন্টেন্ট কপি করে সেটা নতুন করে লেখা আসলেই কোন ভালো কন্টেন্ট লেখকের পরিচয় বহন করে না। তো কারও কাজকে নিজের কাজ বলে চালিয়ে নেয়ার আগে একটু চিন্তা করুন।  অধিকাংশ ক্লায়েন্টই লেখাগুলো আসল কিনা তা বিভিন্ন টুলস দিয়ে চেক করে নেয়

রিসার্চ আবশ্যকঃ

বর্তমান ওয়েব জগত হল ভালো মানের কনটেন্ট এর ছড়াছড়ি, যেখানে ভাল মানের কনটেন্ট সেখানেই সবার আনাগোনা, এবং নিজেকে ফ্রিলান্স জগতে ভালো পর্যায়ে নেয়ার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। এটি পর্যাপ্ত গবেষণা করুন এবং আর্টিকেলে দেওয়া তথ্যগুলোর সত্যতা যাচাই করতে হবে এতে করে লেখার কোয়ালিটি বাড়বে।

লেখকসত্ত্ব থাকা গুরুত্বপূর্ণঃ

গুগল অথরশীপ আপনার কনটেন্টটিকে আপনার গুগল প্লাস প্রোফাইলের সাথে সংযুক্ত করবে  Google Authorship (https://plus.google.com/authorship) ব্যবহার করে আপনার আর্টিকেলের লিংক আপনার গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট এর সাথে যুক্ত করে নিন,  অতি শীঘ্রই গুগলের মতো অন্যান্য সার্চ ইন্জিনেও এই মালিকানার পদ্ধতি চালু করা হবে।

 

সোশ্যাল শেয়ারিং করতে হবেঃ

আপনি একজন ফ্রীলান্স লেখক কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না, আপনি আর্টিকেল রাইটার কিন্তু সোস্যাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার না করেন; তবে এটি আপনার ক্যারিয়ারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একজন নতুন ফ্রীলান্স লেখকের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার কোন বিকল্প নেই।

 

প্রুফরিডিং বাধ্যতামূলকঃ কাজ শেষ করে ভূলগুলো ধরার জন্য পূনরায় শুরু থেকে কাজটি মনোযোগ সহকারে দেখার জন্য  যে কোনো কাজের শেষেই প্রুফরিডিং প্রয়োজন। ইংরেজী এর ক্ষেত্রে স্পেলচেকার ছাড়াও গ্রামাটিক্যাল ভুলগুলো ধরার জন্য গ্রামারলি কিংবা অনলাইন গ্রামার চেকার বিভিন্ন টুলস পাওয়া যায়।

 

লিখতে হবে সময় নিয়েঃ

ভালো কোন আর্টিকেল রাইটারও কম সময়ে ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে পারবে না যদি না সে সময় না নেয়। তাই সময় নিয়ে আর্টিকেল লিখুন। কোনো আর্টিকেল তড়িঘড়ি করে লেখা হলে, পাঠকেরা তা সহজেই ধরতে পারে। অতি দ্রুত কাজ করলে কোনো কাজই ঠিকমতো হয় না।

 

আপনার ক্যারিয়ার আপনার লেখায়ঃ

 অনেক ফ্রিল্যান্সার রাইটার নিজের কাজের মান সম্পর্কে উদাসিন হওয়ায় তাই তারা খুব দ্রুত লেখার চেষ্টা করে। কিন্তু আপনার ক্যারিয়ারে পতনের কারণ হতে পারে এই উদাসিনতাই। পরবর্তিতে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে এই নিম্ন মানের লেখা বাধা হয়ে দাঁড়াবে। অন্যদিকে যদি ভাল লিখতে থাকেন তবে আপনার লেখাই আপনাকে আরও কাজ এনে দিবে।

 

কাটিয়ে উঠুন জড়তা:

আপনার ক্লায়েন্টের সাথে ফোনে কথা বলতে ভয় পান? এর কারণ হতে পারে যে আপনি হয়তো ভাবছেন কিভাবে তার সাথে কথা বলবেন? সে আপনাকে কাজ থেকে বাদ দেবে কি না! কিন্তু এই ভয়গুলো নিতান্তই অহেতুক। আর আপনি যদি একান্তই এই ভয় কাটিয়ে উঠতে না পারেন তবে তো ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য উপযুক্ত নয়।

 

প্রতিযোগিতাঃ

সারা পৃথিবী থেকে অসংখ্য লোক আর্টিকেল রাইটিং এর কাজে আকৃষ্ট হচ্ছে। তাই এতে প্রতিযোগিতা থাকবেই। আপনি যদি এই পোস্টে দেওয়া কাজগুলো সঠিকভাবে অনুসরন করতে পারেন তাহলে বলা যায় আপনি এই প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত।

About কমজগৎ ডেস্ক

একটি উত্তর দিন