ই-ক্যাব ও ইউআইইউ’র উদ্যোগে নারী দিবসের অনুষ্ঠান

ই-ক্যাব ও ইউআইইউ’র উদ্যোগে নারী দিবসের অনুষ্ঠান

ecabগত মঙ্গলবার (১৫ই মার্চ) ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটি’র (ইউআইইউ) উদ্যোগে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে “সেলিব্রেশন অব ইন্টারন্যাশনাল ওমেন ডে” শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি ছিল তিনটি প্যানেল আলোচনায় বিভক্ত।
প্রথম প্যানেল আলোচনায় নারী উদ্যোক্তারা নিজেদের কথা তুলে ধরেন। এ আলোচনায় উঠে আসে নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসায় শুরুর গল্প, বাধা, এবং সম্ভাবনার কথা।
দ্বিতীয় প্যানেল আলোচনায় মুলত বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের সফল নারীরা নিজেদের কথা তুলে ধরেন। এ অংশটি ই-ক্যাব কার্যনির্বাহী পরিচালক নাছিমা আক্তার নিসার সঞ্চালনায় পরিচালিত হয়, যা মুলত অংশগ্রহণকারীদের করা বিভিন্ন প্রশ্ন এবং তাদের উত্তরের মাধ্যমে এগিয়েছে। বক্তারা বলেন, ‘নারীরা ব্যবসা করছে, পাহাড়ের চূড়ায় উঠছে, সামরিক বাহিনীতে কাজ করছে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে কাজ করে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনছে, খেলাধুলায় অংশ নিয়ে সোনা ছিনিয়ে আনছে।‘
সর্বশেষ প্যানেল আলোচনায় সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘কৃষি সকল শিল্পের মা। এই কৃষি শুরু হয়েছিল নারীদের হাত ধরে। প্রথম ইসলাম ধর্মও গ্রহণ করেন একজন নারী। বিদেশে বলা হয়ে থাকে নতুন ব্যবসায় শুরু করার আগে তোমার পার্টনারের (স্ত্রীর) সাথে আলোচনা করে নাও। মেয়েদের ক্ষমতায়নের সাথে সাথে পুরুষদেরও সচেতন হতে হবে’
ই-ক্যাব প্রেসিডেন্ট রাজিব আহমেদ বলেন, ‘ই-ক্যাব নারীদের সম্মান করে থাকে, যেকারনে ই- ক্যাবের ফেসবুক গ্রুপের থাকার অন্যতম শর্ত হচ্ছে নারী সদস্যদের বিরক্ত না করা, এ মুহূর্তে ই-ক্যাবে নিবন্ধিত নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা ২৬। সামনে শুধুমাত্র নারীদের নিয়ে একটি মেলার আয়োজন করা হবে’।
ই-ক্যাব জেনারেল সেক্রেটারি আবদুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, ‘আজ থেকে এক বছর আগে যাত্রা শুরু করে ই-ক্যাব। এই মুহূর্তে এক হাজারের বেশি ই-কমার্স ওয়েব সাইট এবং সাত হাজারের বেশি ব্যবসায় ফেসবুক পেইজ আছে। এখন ই-ক্যাবের সদস্য ৩৫০। আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে ই-কমার্স এর জন্য একটি নীতিমালা বানানোর চেষ্টা করছি।‘
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট অফিসের সচিব বলেন ভুঁইয়া শফিকুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান বাংলাদেশে নারীদের অবস্থান ভাল। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের” সোনার মেডেল দেয়া হয়, দেখা গেছে তাদের অধিকাংশই পেয়ে থাকেন নারীরা, যা নারীদের এগিয়ে যাবার প্রমান, দেশে গণতন্ত্র না থাকলে সবচেয়ে খারাপ অবস্থার শিকার হয় নারীরা। তাই নারীদের এগিয়ে নিতে দেশে গণতন্ত্রের যাত্রাকে অব্যাহত রাখতে হবে।‘ পরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল নারীদের ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে সম্মান জানানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়। ওয়েবসাইট: www.e-cab.net/

About Sohel Rana

একটি উত্তর দিন