ই-কমার্স বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করবে এটুআই এবং ই-ক্যাব

ই-কমার্স বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করবে এটুআই এবং ই-ক্যাব

ecabপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসএসএফ ব্রিফিং রুমে ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের মধ্যে রবিবার ই-কমার্স সেবার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম এবং ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও এটুআই প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার এবং ই-ক্যাবের প্রেসিডেন্ট রাজিব আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।
সমগ্র দেশব্যাপী একটি ই-কমার্স ইকোসিস্টেম প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ই-কমার্স বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রচার প্রচারণা, সচেতনতা তৈরি, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের চাহিদা নিরুপণ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা এবং কারিগরি সহায়তা প্রদানের বিষয়ে এটুআই প্রোগ্রাম ও ই-ক্যাব যৌথভাবে কাজ করবে। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী এটুআই এবং ই-ক্যাব ই-কমার্স বিষয়ে পলিসি প্রণয়ন করবে এবং বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এছাড়া ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের জন্য মুক্তপাঠের মাধ্যমে অনলাইন প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে। ডিজিটাল সেন্টার থেকে ই-কমার্স সিস্টেম চালু করার ক্ষেত্রে ক্রয় বিক্রয়ের বিষয়ে নলেজ পার্টনার হিসেবে কাজ করবে ই-ক্যাব। বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পণ্য লেনদেনের যাবতীয় পদ্ধতির যোগসূত্র তৈরিতেও এ দুই প্রতিষ্ঠান কাজ করবে।
ডিজিটাল সেন্টার হলো ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ডে স্থাপিত তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর সেবা সমৃদ্ধ একটি আধুনিক কেন্দ্র। ইতিমধ্যে এসব ডিজিটাল সেন্টার থেকে ই-কমার্সের মাধ্যমে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য কেনাবেচা হয়েছে।  প্রায় ২৭ কোটি ৮০ লাখ সেবা প্রদান করা হয়েছে যার মধ্যে ৩০ হাজার ২০৭টি ব্যাংক একাউন্ট খোলা,  ৭৮ কোটি  ৪৪ লাখ ৮৮ হাজার টাকা ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেন, ৬ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার টাকা রেমিট্যান্স উত্তোলন সেবা প্রদান, ২ কোটি ৬৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা পাসপোর্ট ফি প্রদান, অনলাইনে ১২০০০টি পাসপোর্টের আবেদন সেবা প্রদান, বিদেশ গমনেচ্ছু ২০ লক্ষাধিক নারী-পুরুষ শ্রমিক ও পেশাজীবীদের অনলাইন নিবন্ধন এবং সেন্টারে বসে আবেদন করে বাড়িতে বসে ৪ লাখ ৫০ হাজার জমির পরচা লাভ ডিজিটাল সেন্টার থেকে সেবা পাওয়ার অনন্য নজির। এখন গ্রামে থেকে জনগণ সরকারি ফরম পূরণ, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল, অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, অনলাইন জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ই-মেইল-ইন্টারনেট ব্যবহার, কম্পিউটার প্রশিক্ষণসহ ১১২ ধরনের সরকারি-বেসরকারি এবং বাণিজ্যিক সেবা পাচ্ছে এসকল ডিজিটাল সেন্টার থেকে।

About Sohel Rana

একটি উত্তর দিন