‘ই-এশিয়া ২০১১ পুরষ্কার’ ৩৭টি উদ্যোগ ফাইনালিষ্ট হিসাবে নির্বাচিত

প্রথমবারের মত প্রবর্তিত ‘ই-এশিয়া ২০১১ পুরষ্কার’ এর চূড়ান্ত পর্বের জন্য ৩৭টি উদ্যোগকে ফাইনালিষ্ট হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। চারটি বিভাগে সর্বমোট ২০৭টি প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠান থেকে এই মনোনয়ন বাছাই করা হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্রসহ এশীয় ও ইউরোপীয় অঞ্চলের সাতটি দেশের প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠান থেকে পুরষ্কারের জন্য প্রাথমিক আবেদন জমা পড়ে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নাগরিক সেবা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা, সামাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সক্ষমতার উপর বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, জাপান থেকে এসব আবেদন পড়ে। এছাড়াও ভারতের ৪৫টি আবেদন জমা পড়ে। গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠান বাছাই ও মনোনয়ন পর্ব সমন্বয় করেন বিশেষজ্ঞ আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড। ২১ সদস্য বিশিষ্ট জুরি বোর্ডে ছিলেন বাংলাদেশ, ভারত, উগান্ডা, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, সামাজিক গবেষক ও, আইনপ্রনেতা বিশেষজ্ঞগন। টেলিসেন্টার ডট অর্গ ফাঊন্ডেশনের ড. বশির হামাদ সাড্রাক, কানাডার মাইকেল রবার্টস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনিস্টিটিউট (আইবিএ) এর অধ্যাপক ফারহাত আনোয়ার প্রমুখ জুরি বোর্ডের সদস্য ছিলেন। বিভিন্ন প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানের আবেদন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্ক স্থাপনকে গুরুত্ব দেন জুরি বোর্ডের সদস্যরা। জুরি বোর্ডের সম্বন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন বেসিসের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রাউলী। তিনি বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পুরষ্কার প্রতিযোগিতাতে সারা বিশ্বের উন্নত অনুন্নত সবদেশের প্রতিযোগিরা অংশ নিয়েছে। জুরি বোর্ডের সদস্যরা বিভিন্ন মাপকাঠিতে দুশতকের বেশি প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৭টি প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানকে বাছাই করেছে।’ আগামী ২রা ডিসেম্বর ই-এশিয়া সম্মেলনে মনোনীত ৩৭টি প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠান থেকে ১৭টি প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানকে ‘ই-এশিয়া পুরষ্কার ২০১১’ প্রদান করা হবে। উল্লেখ্য, আগামী ১ ডিসেম্বর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হবে এশিয়ার অন্যতম বড় এই তিন দিনের ই-এশিয়া তথ্যপ্রযুক্তির মেলা। প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নে এশীয় দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করতেই ই-এশিয়া সম্মেলন আয়োজন করা হচ্ছে।

About mehdi

একটি উত্তর দিন