ইন্টারনেটের গতি কমানোর নির্দেশনা প্রত্যাহার করেছে বিটিআরসি

ইন্টারনেটের গতি কমানোর নির্দেশনা প্রত্যাহার করেছে বিটিআরসি

6b88c34cd64b83eac2709d6c8c29fd54_Mইন্টারনেটের গতি কমানোর নির্দেশনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আজ রোববার বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক সাবিনা ইসলামের পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই ই-মেইলে দাবি করা হয়, ১৬ মে রাত ১১টা থেকে এ নির্দেশনা তুলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ই-মেইল ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে দেশ থেকে ইন্টারনেটে যুক্ত হওয়ার মূল মাধ্যম আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে এই নির্দেশনা পৌঁছায়নি। এ জন্য বিটিআরসি দুঃখ প্রকাশ করছে।
গত বুধবার বিটিআরসির পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, আইআইজি যেন ১৫ মে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের গ্রাহকদের (আইএসপি) কেনা ব্যান্ডউইডথের ক্ষেত্রে আপলোড ব্যান্ডউইডথ সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ করে।

অর্থাত্, ইন্টারনেটে কোনো কিছু আপলোড করার ক্ষেত্রে গতি কমিয়ে দিতে বলা হয়।
ওই পদক্ষেপ সম্পর্কে তখন বিটিআরসির পরিচালক (স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা কীভাবে হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণের স্বার্থে বিটিআরসি ১৫ মে রাতে সাময়িকভাবে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এ নির্দেশ দেয় আইআইজিগুলোর জন্য। চার ঘণ্টায় তিনটি মুঠোফোন প্রতিষ্ঠানের কল আসা-যাওয়া পর্যবেক্ষণ করা হয়। কিন্তু রাত ১১টার পরই ইন্টারনেটের ওপর এ বাধা উঠিয়ে দিতে আইআইজি প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিঠি পাঠানো হয়।’

তবে আইআইজি-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র গতকাল জানায়, এ নির্দেশ তুলে দেওয়ার কোনো চিঠি তারা পায়নি। বরং ১৬ মে সন্ধ্যায় কয়েকটি আইআইজিকে আইএসপির জন্য আপলোড ব্যান্ডউইডথ ৯০ শতাংশ কমিয়ে মাত্র ১০ শতাংশ করার নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। এতে যখন ইন্টারনেট-সেবা গুরুতরভাবে ব্যাহত হতে থাকে, তখন রাত ১১টায় এ নির্দেশনা তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু ২৫ শতাংশ পর্যন্ত আপলোড গতি সীমিত রাখার নির্দেশ গতকাল রাত পর্যন্ত প্রত্যাহার করা হয়নি।

About বিদ্যুৎ বিশ্বাস

একটি উত্তর দিন